অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রস্তাবে সকল নাগরিকের সহযোগিতা চাইলেন
সব র জন য স য গ – সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা আকাঙ্খা করেন। এ অঙ্গীকার বাজেটের উপর প্রকাশ্যে প্রস্তাবে স্থায়ী সম্পদ গঠনের জন্য সমস্ত গোষ্ঠী নাগরিকের ভাগ্য বদলের ক্ষমতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং জাতীয় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশটি সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে।
সমগ্র জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি-পেশার জনগণের সহযোগীতা
অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবে সকল গোষ্ঠী নাগরিকের সহযোগিতা আকাঙ্খা করেন। এ নির্বিশেষে সংসদের সদস্য, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, নারী, তরুণ, উদ্যোক্তা এবং প্রবাসীদের মানুষের জন্য সুযোগ নিশ্চিত করা এ অঙ্গীকারের মূল লক্ষ্য। তিনি এটি আগামী অর্থবছরের জন্য নতুন চালানো সংস্কারের প্রাচুর্য সুনিশ্চিত করার সূচনা বলে অভিহিত করেন।
“সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত করা হবে এ অঙ্গীকার দ্বারা আমরা গণমানুষের আত্মবিশ্বাস ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে সম্মিলিত চেষ্টায় একটি স্বাধীন ও মর্যাদাবান বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।”
বাজেট প্রস্তাবে সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিতের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো যেমন স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পরিবহন অনুসারে সুযোগ বিস্তারের উদ্দেশ্যে সামগ্রিক পরিকল্পনার জন্য প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশের সমস্ত জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি থেকে সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষক এবং শিল্পকারের মানুষ থেকে সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত করা হবে সে ধারণা সর্বত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
বাজেটের অংশগ্রহণ ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো
বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করার সময় অর্থমন্ত্রী কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিতরণ এবং সামাজিক সম্পদের গুরুত্ব জোর দিয়ে বলেন। তিনি প্রকাশ করেন যে এই সমাজের সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রাথমিক ধরনের ক্ষেত্রগুলো যেমন স্বাস্থ্য সেবা, প্রাথমিক শিক্ষা এবং প্রবাসী জনগণের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আশা করেন যে সামগ্রিক সংস্কারের মাধ্যমে সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিত করা হবে এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশিলতা অর্জন করা যাবে।
বাজেটের অনুসারে সবার জন্য সুযোগ নিশ্চিতের প্রক্রিয়া বিশেষ করে মানুষের সম্পদ অর্থনৈতিক বিস্তারের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে গৃহিত প্রকল্পগুলো যেমন জনগণের স্বাস্থ্য সুবিধার বিস্তার এবং শিক্ষা প্রসারের জন্য সংস্থাগুলো যেমন রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষের বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সুয�