বাজেটে ওষুধ শিল্পোদ্যোক্তাদের স্বাগত জানানো হল প্রসারের প্রস্তাব
ব জ ট স বস ত ওষ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ওষুধ শিল্পের স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকারের বিশাল কর ও শুল্ক সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তে আনুগত্য প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ শিল্পোদ্যোক্তারা। তারা বলেন, ক্যানসারের ওষুধসহ ৭৭টি কাঁচামালে কর শূন্য করার এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রোত্সাহনীয়।
ক্যানসারের ওষুধের দাম কমবে
শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে ক্যানসার চিকিৎসার জন্য নতুন নয়টি কাঁচামালের দাম কমতে পারে বলে আশা করছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। তবে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও রেসপিরেটরি মেডিসিনের কাঁচামালগুলির ওপরও শুল্ক ছাড় দেওয়া প্রয়োজন ছিল। সাধারণ মানুষের রোগী সংখ্যা এ বিষয়ে সর্বাধিক।
‘বাজেটে এপিআই শিল্পের জন্য যতটুকু কর ছাড় ও সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক ও ভালো উদ্যোগ। আমরা এপিআই শিল্পকে সহজ করার জন্য সরকারের কাছে যেসব প্রস্তাব বা কথাবার্তা বলেছিলাম, সেগুলো এখন একটি একটি করে বাস্তবায়ন করছে। সরকারের এ পদক্ষেপগুলোতে আমরা ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্টরা খুবই খুশি।’
ওষুধ রপ্তানির বিষয়ে বলেন এ এম শামীম, ‘রপ্তানিযোগ্য ১৭টি ওষুধের কাঁচামালের ওপর শুল্ক রেয়াত দেওয়ায় রপ্তানি উৎসাহিত হবে। তবে আগে রপ্তানি মূল্যের ওপর যে ১০ শতাংশ ইনসেনটিভ ছিল, তা বর্তমানে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। এটি আবার ১০ শতাংশ করা উচিত।’
ওষুধ উৎপাদনের বাধাগুলো সম্পর্কে মন্তব্য
এপিআই উৎপাদনের মূল বাধাগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৫১টি এপিআই তৈরির ক্ষেত্রে খরচ কমানোর প্রস্তাবটি অত্যন্ত ইতিবাচক। এপিআইগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা জানতে পারলে আমরা নিজস্ব উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। কাঁচামাল উৎপাদনের খরচ অনেকটাই কমে আসবে।’
‘৫১টি এপিআই তৈরির ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড়ের সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। তারা অনেক কম দামে ক্যানসারের ওষুধ কিনতে পারবে। তবে এই মুহূর্তে ইবনে সিনার ক্যানসার প্রোডাক্ট তৈরির কোনো ব্যবস্থা নেই, তাই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে এ সুবিধাটি পাচ্ছি না।’
সামগ্রিকভাবে বলেন ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির, ‘সরকারের এসব পদক্ষেপের ফলে আমরা অনেক কম