পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব
পর ব শব ন ধব ইল কট – অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক ছাড় নিয়ে আলোচনা করেছেন বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাবে। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সরকার আগামী অর্থবছরে পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে বৈদ্যুৎ চার্জিং নেটওয়ার্কের বিস্তার সহ স্থায়ী সুবিধা প্রদান করতে চাইছেন। সংসদে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে বর্তমান অর্থবছরে চার্জিং স্টেশনের অভাব কারণে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অর্থমন্ত্রী তাঁর বাজেট প্রস্তাবে এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকার এবং বেসরকারি বিশ্বাসী পর্যায়ে বিদ্যুৎ চার্জিং স্টেশন প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে শুল্ক ছাড় ঘোষণা করেছেন।
পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক পরিবর্তন
বাজেট প্রস্তাবে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক হ্রাস করে বৈদ্যুৎ চার্জিং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করার জন্য বিশেষ অর্থ সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। সর্বমোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে ইঞ্জিন ক্ষমতা ২০০০ সিসি পর্যন্ত বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক হ্রাস করা হবে। গত পর্যায়ে শুল্ক হ্রাস করে নতুন শুল্ক হ্রাস ৩৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আমদানি শুল্ক হ্রাস ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দ্বারা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শুল্ক নীতির সাথে মিল করে নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড ভেহিক্যাল (PHEV) ক্ষেত্রে স্থায়ী সুবিধা প্রদান করা হবে।
পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে যাতে মোট করহার হ্রাস করা হবে। যেমন, বর্তমানে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানির শুল্ক ৬৩ শতাংশ হয়, কিন্তু সেটি হ্রাস করে ৩৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আমদানি শুল্ক হ্রাস করে ৮০ শতাংশ হবে। এই পরিবর্তন করা হবে যাতে পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে বৈদ্যুৎ চার্জিং নেটওয়ার্কের বিস্তার সম্ভব হয়। সংসদে এই প্রস্তাব প্রকাশের পর দেশের চার্জিং স্টেশন বিস্তারের দিকে একটি বিশাল উৎস উপস্থিত হবে।