বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও তার ছোট ভাইকে কুপিয়ে জখম
বগ ড় য় স ব চ ছ – বগুড়া জেলার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও তার ছোট ভাই দুই জনকে অজ্ঞাত হামলায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত প্রায় ১০টার দিকে বগুড়া শহরের আটাপাড়া এলাকায় ঘটেছে। আহত হন বগুড়া সদর উপজেলার আটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাশেদ শেখ (৩৫) এবং তার ছোট ভাই রাকিব (৩০)। দুই ভাই জিল্লুর রহমানের ছেলে এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক। হামলার সময় তারা তাদের স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছিলেন।
অস্ত্র দিয়ে সংঘটিত হামলা
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইব্রাহীম আলী জানান, অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে আটাপাড়া এলাকায় হামলা চালিয়েছিল। তারা চাকু ও চাপাতি দিয়ে রাশেদ ও রাকিবকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়েছিল। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং হামলার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অব্যাহত রয়েছে।
আহত রাশেদের শারীরিক অবস্থা এখনও স্থিতিশীল নয়। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছেন স্থানীয় মানুষ। ঘটনার সময় দুই ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ক্যাজুয়ালটি বিভাগে ভর্তি করেছেন। হামলার সংঘটনে কোনও পরিচিত নেতা বা স্বেচ্ছাসেবক কর্মকর্তা পালানোর চেষ্টা করেছিলেন কিনা তা পর্যন্ত খুঁজে বার করা হচ্ছে।
হামলার কারণ খুঁজছে পুলিশ
পুলিশ জানায়, হামলার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ফুলবাড়ী ফাঁড়ির এসআই আনাহার মাদকবিরোধী অভিযানে ওই এলাকায় দয়াল কে ধরতে যাওয়ার পর হামলা সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দয়াল রাশেদের ওপর সন্দেহ নিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। গোয়েন্দা তথ্য অব্যাহত রয়েছে।
বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জানান, ঘটনাটি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে জেনেছিলেন। কিছুক্ষণ আগে তিনি হামলার সম্পর্কে জানতেন কিনা তা খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত চলছে। আহত রাশেদ এবং রাকিবের পরিবার এবং স্বেচ্ছাসেবক দল হামলার কারণ খুঁজছে। বগুড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অব্যাহত রয়েছে।
বগুড়া জেলার আটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাশেদ শেখ ও তার ছোট ভাই রাকিব স্বেচ্ছাসেবক দলের মূল প্রতিনিধিদের একটি গুরুতর ঘটনা হিসেবে পরিচিত। তাদের জখমের কারণে স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম মাত্র কিছুক্ষণ বন্ধ রয়েছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা হামলাকারীদের পরিচয় খুঁজে বার করছেন।
স্থানীয় লোকজন বলেন, আটাপাড়া এলাকায় হামল