সরকার একটি নতুন কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা করেছেন, যাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো মুনাফার কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণ করতে উৎসাহিত হবে
ম ন ফ র ৩০ শত শ – সরকার এখন চলমান অর্থবছরের জন্য একটি নতুন কর ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করেছে। কোম্পানিগুলোকে কর-পরবর্তী নিট মুনাফার অন্তত ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে নতুন আইন কার্যকর করা হবে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কোনো কোম্পানি যদি কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে বাধ্য না হয়, তবে ওই ঘাটতির ওপর ১০ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হবে।
নতুন ব্যবস্থায় কর আরোপের ভিত্তি মুনাফা সংরক্ষণের পরিমাণ থেকে পরিবর্তিত হবে। বর্তমানে কোম্পানির পূর্ববর্তী বছরের কর-পরিশোধিত নিট আয়ের ৭০ শতাংশের বেশি সংরক্ষিত অর্থ স্থানান্তর করলে সেই অর্থের ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা হতো। কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় এই বিধানটি পরিবর্তিত হয়ে মুনাফা বিতরণের হারের সাথে করকে যুক্ত করা হবে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো কোম্পানিকে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ দিতে বাধ্য করা আদর্শ নাও হতে পারে। এটি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে সহায়তা করতে পারে।
আগামী অর্থবছরে কোম্পানির আয়কর আইনের সংশোধনী প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার দৃষ্টিকোণ থেকে কোম্পানির লভ্যাংশ দেওয়ার হার নির্দিষ্ট করা একটি গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ হতে পারে। বিশেষ করে দ্রুত সম্প্রসারণশীল কোম্পানিগুলো প্রায়ই মুনাফার বড় অংশ পুনর্বিনিয়োগ করে। ফলে তারা তুলনামূলক কম লভ্যাংশ দেয়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোনো কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ১০০ কোটি টাকা হলে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লভ্যাংশ বিতরণ করতে হবে। যদি কোম্পানিটি ২০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দেয়, তাহলে বাকি ১০ কোটি টাকার ওপর ১০ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হবে। বর্তমান ব্যবস্থার মুখে আছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যদি কম স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে, তাহলে সেই অংশের ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা হতো।
একই সঙ্গে নগদ লভ্যাংশের তুলনায় বেশি স্টক লভ্যাংশ ঘ