চকরিয়ায় প্রবাসী বাড়িতে লুণ্ঠন ও ধর্ষণ ঘটেছে
চকর য় য় ড ক ত র – কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় নবগঠিত মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ নিশ্চিত করেছেন যে এক প্রবাসীর বাড়িতে রাত আড়াইটার দিকে লুণ্ঠন ঘটেছে। তদন্তে জানা গেছে ডাকাতদল নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুটে নিয়েছিল। ঘটনার সময় স্ত্রী ও দশম শ্রেণির ছাত্রীকে গোটা দল করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় যে রাতে সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির জানালা ভেদ করে অভিযান চালিয়েছিল। তারা লুণ্ঠিত সম্পত্তি উদ্ধার করতে সক্রিয় হয়েছিল। তবে ঘটনার পর মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তাদের শারীরিক অবস্থা অস্থির হয়ে পড়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আটকদের নাম খুঁজে পাওয়া গেছে
অভিযানের পর ছয়জন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত ও তানজিদের নাম জানা গেছে। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আটকরা সবাই পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পুরো টিমকে ধরতে পুলিশ মাঠে রয়েছে। শিগগির লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। এ ঘটনায় কঠিন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেন বলেন, আটকদের মধ্যে তিনজন ভিকটিম শনাক্ত করেছেন। বাকি তিনজন সন্দেহভাজন হিসেবে হেফাজতে রয়েছেন। তিনি আরো জানান, পুলিশ সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য চালিত কাজে ব্যস্ত।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা জানান, বোন ও ভাগনির ওপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছিল। বর্তমানে ভাগনির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা চলছে।