সংসদে অর্থমন্ত্রী: সাড়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা বাড়তি ভর্তুকি প্রয়োজন
স সদ অর থমন ত র জ – সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেছেন যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার এ চার খাতে সাড়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন হতে পারে। এ তথ্য সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নোত্তরে স্পষ্ট করে দেন মন্ত্রী। এই বাড়তি ব্যয় এ বছর সরকারের অর্থনীতি ও বাজেট প্রস্তাবে স্পষ্ট রূপে প্রতিফলিত হতে পারে।
অর্থবছরের স্থিতিস্থাপকতা ও বাজেট প্রস্তাব
সংসদে অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে আলোচনার পরিবেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন। অধিবেশনে বৃহত্তর অর্থনীতি ও সার্বিক বাজেট প্রস্তাব সম্পর্কে আলোচনা চলে। এ সময় অর্থমন্ত্রী কৃষি ও উৎপাদন খাতের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় আবশ্যক হতে পারে বলে জানান। তিনি সংসদে বাড়তি টাকা বিভিন্ন খাতে বিতরণ করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
বাড়তি ব্যয়ের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত ব্যয় ঘোষণা করেন। তেলে সরকারকে প্রায় ১০ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা খরচ করতে হতে পারে বলে তিনি জানান। গ্যাস খাতে অতিরিক্ত ব্যয় ১১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা হতে পারে। বিদ্যুত খাতে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হতে পারে। সার খাতে মোট প্রায় ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা খরচ করতে হতে পারে। এ বিস্তারিত সংখ্যা কৃষি পণ্যের দাম ও উৎপাদন স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুমান করে উল্লেখ করেন।
সংসদে অর্থমন্ত্রী বাড়তি ভর্তুকি আবশ্যকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন যে এ বছর অর্থনীতি ও বাজেট প্রস্তাবে সার্বিক সংকটের মুখে পড়েছে। এ সংকট বিশেষ করে তেল ও গ্যাস খাতের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির জন্য বাড়তি টাকা নিয়ে আলোচনা চলছে। সরকারের এ প্রস্তাব দুইটি প্রধান খাতে স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষি ও উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আর্থিক সমর্থন বৃদ্ধি করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি প্রতিশ্রুতিকে স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয় ব্যয় আকার ধারণ করেছে। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা সম্প্রতি স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে হতে পারে বলে জানান।
সংসদে অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিস্তারিত ব্যয় প্রয়োজন হতে পারে বলে ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে তেল ও গ্যাস খাতে ব্যয় হার বৃদ্ধির পরিণতি সার্বিক অর্থনীতি ও সার্বিক বাজেট প্রস্তাবে প্রভাব ফেলতে পারে। বিদ্যুত ও সার খাতে অতিরিক্ত ব্যয় সরকারের ক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
এ ব্যয় ঘোষণার পরিবেশে সংসদে মত প্রকাশ করে