৯ম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবি
৯ম প স ক ল র গ – বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ জানায় যে সরকার গঠিত পে-কমিশনের পরামর্শ অনুসারে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি প্রকাশ করেছে। এ দাবি গত শুক্রবার (১৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সমন্বয়কের বক্তব্য
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন স্কেল থেকে বঞ্চিত থাকার সূচনা হয়েছিল ১১ বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকে। সম্মিলিত মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১০৮ শতাংশ হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে কর্মচারীরা ২০১৫ সালের বেতন দিয়ে ২০২৬ সালে তাদের সংসারের খরচ বহন করতে পারছেন না।
পরিষদের সমন্বয়ক মো. লুৎফর রহমান বলেন, বর্তমান অবস্থায় নতুন পে-স্কেল গৃহীত হওয়া প্রয়োজন। তিনি ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে প্রথম দাবি হলো প্রতি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ছয় হাজার টাকায় নির্ধারণ করা। এ লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সংশ্লিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা আবশ্যক।
টাইম স্কেল ও পদ জ্যেষ্ঠতা
দ্বিতীয় দাবি হলো ২০১৫ সালে গেজেটে বাদ দেওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করা প্রয়োজন। বর্তমান বাজার মূল্যের সঙ্গতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান ভাতাদি পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।
পদোন্নতি ও পদ মর্যাদা
তৃতীয় দাবি হলো ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীদের ছয় দফা দাবি অনুযায়ী সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা প্রতি ৫ বছর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে। টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের পদ মর্যাদা সুনিশ্চিত করতে হবে।
পেনশন ও গ্রাচুয়িটি হার
চতুর্থ দাবি হলো সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন প্রবর্তন ও গ্রাচুয়িটি/আনুতোষিকের হার বর্তমান ৯০ শতাংশ থেকে পরিবর্তিত হওয়া প্রয়োজন। গ্রাচুয়িটি প্রতি টাকার সমান ৫০০ টাকা হিসাবে নির্ধারণ করতে হবে।
ভাতাদি পুনর্নির্ধারণ
পঞ্চম দাবি হলো বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রাখে এমন ভাতাদি নতুন করে স্থাপন করা প্রয়োজন। এছাড়া সামরিক ও আধাসামরিক বহিনীর মতো (১১-২০ গ্রেডের) কর্মচারীদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করা আবশ্যক।
নিয়োগ বিধির একত্রীকরণ
ষষ্ঠ দাবি হলো সরকারি, আধাসরকারি দপ্তরসমূহ ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে বেতন ও পদ বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।