যশোরে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু: জানুয়ারীতে ঘটে এক বিপর্যয়
যশ র বজ রপ ত ক শ কিশোর মো. রুবেল হোসেন (১২ বছর) এবং তার পিতা আব্দুর রশিদ (৪৫ বছর) এক পরিবার দুই প্রাণ হারায়। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে যশোর সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামের পশ্চিম মাঠে বজ্রপাত ঘটে এবং এই ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিহত রুবেল হোসেন একটি কৃষক পরিবারের সদস্য ছিলেন, কিন্তু বিপর্যয়ে তাঁর পিতা আব্দুর রশিদ আহত হন। বজ্রপাতে যশ র বজ রপ ত ক শ ঘটনাটি এক পরিবারের দুই সদস্যকে বিদ্ধ করে দিয়েছে।
প্রাণহারা ঘটনার প্রতিক্রিয়া
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “যশ র বজ রপ ত ক শ পরিবারের হাতে হস্তান্তর হয়েছে। আরও খোঁজখবর চালু রয়েছে।” এই বিপর্যয়ে লোকজন বিস্ময় ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহত কৃষককে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা শুরু করা হয়, কিন্তু আব্দুর রশিদ আহতের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়ে আসে।
বজ্রপাতে যশ র বজ রপ ত ক শ প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ হতে পারে আবহাওয়া বিষয়ে বিশেষ পরিস্থিতি। ঘটনার সাক্ষীদের মতে, রুবেল হোসেন বাড়ি ফিরছিলেন যখন আব্দুর রশিদ তাঁর গরু নিয়ে পথ চলছিলেন। দুই ব্যক্তি একই সময়ে বিপর্যয়ে আটকা পড়ে এবং বজ্রপাত দুই প্রাণ হারায়। নিহত রুবেল হোসেন পিতার পাশে ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু দুঃখের স্থায়ী কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
“যশ র বজ রপ ত ক শ ঘটনায় আহত কৃষক আব্দুর রশিদকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আরও খোঁজখবর চালু রয়েছে।” – যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রা�প্ত কর্মকর্তা মাসুম খান
বিপর্যয়ের পরে যশোরের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক বিপর্যয় চলছে। বজ্রপাতে যশ র বজ রপ ত ক শ ঘটনা পরিবারকে বিস্ময়ে ভরিয়ে দিয়েছে। নিহত রুবেল হোসেনের মাতা শিপন হোসেন জানান, তাঁর পুত্র মাঝে মাঝে তাদের বাড়ি আসতেন এবং বিপর্যয় ঘটার সময় তিনি সবচেয়ে কাছাকাছি ছিলেন। আহত আব্দুর রশিদের স্ত্রী আহত অবস্থার কারণে রোদে রাতে প্রাণ হারান সম্ভব।