News

বিরল পাথর আর প্রাচীন নিদর্শনে সমৃদ্ধ ‘রকস মিউজিয়াম’

84d07c06-6086-4b84-ac69-b1be79f3735b-0

বিরল পাথর আর প্রাচীন নিদর্শনে সমৃদ্ধ ‘রকস মিউজিয়াম’

Bangladailypost.com – ব রল প থর আর প র – পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের প্রাঙ্গণে স্থাপিত রকস মিউজিয়াম দেখা যায় বিস্ময় ও ঐতিহাসিক প্রমাণগুলি। এখানে ভূতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে পাথরের প্রকৃতির বৈচিত্র্য এবং ঐতিহ্যের বিস্ময়ের জন্য। নানা ধরনের বিরল পাথর, জীবাশ্ম, প্রাচীন মুদ্রা, টেরাকোটা এবং অতীতে ব্যবহার করা সামগ্রী সংরক্ষিত রয়েছে জাদুঘরে।

সংগ্রহশালার সামনে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন আকৃতি ও গঠনের পাথর। এগুলোর অনেকের মধ্যে রহস্যময় সাংকেতিক চিহ্ন লক্ষ্য করা যায়। এখানে বিশাল আকৃতির পাথর, কারুকাজ খোদাই করা তীর-ধনুক এবং দেবীর চোখের চিত্র রয়েছে যেগুলি দেখে দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হন।

জাদুঘরের ভূমিকা ও অনন্য বৈশিষ্ট্য

এই জাদুঘরের প্রতিটি পাথরের মধ্যে হাজার বছরের ইতিহাস লুকিয়ে আছে। এতে ভূতাত্ত্বিক বৈচিত্র্য ও প্রকৃতির বিস্ময় নিহিত। অনেকে মনে করেন, হিমালয় থেকে বেয়ে আসা নদীর কারণে এ জেলার ভূগর্ভে প্রচুর খনিজ পাথর রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে পাথর শুধু নির্মাণ উপাদান হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও এই জাদুঘরটি আদিবাসীদের ঐতিহাসিক প্রমাণ প্রকাশ করে।

‘পঞ্চগড় এমনিতেই পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে তেঁতুলিয়ার সমতলে চা বাগানসহ জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখে পর্যটকরা মুগ্ধ হন। সঙ্গে পাথরের এই জাদুঘর পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে’

রকস মিউজিয়াম ভবনের নিচতলায় রয়েছে আগ্নেয়শিলা, পাললিক শিলা ও নুড়ি পাথর সহ বিভিন্ন আকৃতি, রং ও বৈশিষ্ট্যের পাথর। এতে সিলিকা নুড়ি, সিলিকা বালু, কাচবালি এবং সাদা মাটি সহ কঠিনশিলা সংগ্রহ রয়েছে। নীলফামারির ডোমার এলাকা থেকে রকস মিউজিয়াম দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী আবিদুর রহিম বলেন, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল রকস মিউজিয়াম দেখার। সবকিছু দেখে অবা অবাক হন।

উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী ও ভূগর্ভ থেকে সংগৃহীত এসব নিদর্শন জাদুঘরটিকে ভিন্নমাত্রার ঐতিহাসিক গুরুত্ব দান করে। আরও রয়েছে জাতিতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা যেখানে উপজাতি ও আদিবাসীদের ব্যবহার করা জিনিসপত্র দেখা যায়। যেমন ইমারতের ইট ও পাথরের মূর্তি, পোড়ামাটির নকশা এবং বিশাল বেলেপাথর, গ্রানাইট ও কোয়ার্টজাইট সহ বিভিন্ন পাথর।

১৯৯৭ সালে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ নাজমুল হক তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই জাদুঘরটি গড়ে তোলেন। আদিম গবেষণার জন্য তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রত্ন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *