পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বরগুনার নিদ্রার চর
পর যটন র নত ন সম ভ – বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রার চর বরগুনার পর্যটন বিষয়ে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে উঠে আসছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই স্থানে সমুদ্র এবং নদী দুই দিকে এবং মাঝখানে কেওড়া ও ঝাউবনে ঘেরা সবুজ প্রান্তর দেখা যায়। প্রতিনিয়ত অনেক মানুষ এখানে আসছেন যারা এটি চট্টগ্রামের গুলিয়াখালী সৈকতের সাথে মিল পাচ্ছেন।
তবে এখানে খাবার বা আবাসনের ব্যবস্থা নেই। সড়ক ভাঙাচোরা হওয়ায় পর্যটকদের কষ্ট হয়। কেওড়া আর ঝাউবনের মধ্যে সবুজ ঘাসে জোয়ারে পানি ফুঁসে উঠছে। সমুদ্রের গর্জন এবং প্রান্তরের শ্বাসমূল স্থানীয়দের কাছে ‘ডিসি পয়েন্ট’ নামে পরিচিত। টেংরাগিরি বন এবং শুভসন্ধ্যা সৈকত থাকায় এটি পর্যটকদের প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করছে।
পর্যটকদের প্রতিক্রিয়া
নিদ্রার চর জায়গাটি প্রকৃতির একটি লুকানো নয়নাভিরাম স্পট। অনেকে এখনো এ সম্পর্কে জানে না। ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে মন ভেঙে গেলেও এখানে এলে সে দুঃখ আর থাকে না। আমরা চাই দ্রুত এখানে আসার সড়কগুলো সংস্কার করা হোক।
আমি এতদিন বিদেশে ছিলাম। বরগুনা হলেও আমি এই নিদ্রা সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে আগে শুনিনি। ফেসবুকে কয়েকজনের ছবি দেখে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। এখানে রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ পর্যটকদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হলে এটি বাংলাদেশের সব থেকে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফুর রহমান বলেন, বরগুনায় অনেক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। শুধু এই তালতলী উপজেলায় কেউ ঘুরতে আসলে এখানে রয়েছে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, টেংরাগিরি ইকো পার্ক এবং নিদ্রার চর। যাতায়াত ব্যবস্থার সমস্যা ও সরকারের প্রচার-প্রচারণা কম থাকায় অনেক ভ্রমণ পিপাসুরা এই স্পটগুলো সম্পর্কে জানেন না।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে তালতলী পর্যটন নিয়ে সংসদে কথা বলেছেন। সেই নির্দেশনায় এরই মধ্যে নিদ্রার চর সহ তালতলী উপজেলার শুভসন্ধ্যা সৈকত, টেংরাগিরি বনাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কাজ করছি।
আরও পড়ুন: ঢাকার কাছেই ‘ধাঁধার চর’, ঘুরে আসুন একদিনে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে যাতে বরগুনাকে দেশের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা যায়।