কেন ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না রপ্তানি খাত?
ক ন ঘ র দ ড় ত – অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে দেশের রপ্তানি আয় হ্রাস পেয়েছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য খাতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মে মাসের পতন ঈদের ছুটির কারণে দায়ী করা হলেও রপ্তানিকারকদের দাবি হল বাস্তবতা আরও জটিল। পোশাক রপ্তানি কারকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্থরতা, চলমান যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার কারণ। তারা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সহ বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে।
“বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির পেছনে একক কোনো কারণ নয়, বরং বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে কাজ করছে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মতো প্রধান বাজারগুলোতে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ভোক্তা চাহিদা কমেছে। ফলে রপ্তানি আদেশও হ্রাস পেয়েছে।”
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ৪৭৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের তুলনায় কম। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় কমে গেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। মাসিক দীর্ঘ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি অস্বাভাবিক নয়, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন অর্ডারের ঘাটতি এখনো স্পষ্ট।
“মাসভিত্তিক কিছু ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি মূলত পরিসংখ্যানগত প্রভাবের ফল। আগের বছরের একই মাসে ঈদের ছুটিতে কাজ চলেছে কম। ফলে রপ্তানি আয় স্বাভাবিকভাবে কম ছিল। চলতি বছরে পুরো মাসজুড়ে উৎপাদন ও চালান সচল থাকায় স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।”
তবে ইপিবি জানায়, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোতে দেশীয় পণ্যের চাহিদা এখনো শক্তিশালী। এই অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। স্পেন, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, কানাডা, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে