৩ মাস ধরে অচল থাকা কমিশন সচলে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
৩ ম স ধর অচল থ ক – দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার নিয়োগের জন্য গঠন কমিশন সচল করতে সরকার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, যেহেতু তিন মাস ধরে কমিশন শূন্য ছিল। কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যেহেতু আইন অনুযায়ী বাছাই কমিটি গঠন করতে হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক মনোনয়নের জন্য। এছাড়া সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত তিন মার্চ দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি নীতি শাখা থেকে সম্প্রতি পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠিটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়েছে যেখানে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আরিফুল হক মৃদুল স্বাক্ষর করেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন এবং হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারককে মনোনয়ন প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে।
সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ কারণে দীর্ঘদিনের শূন্যতা কাটিয়ে দ্রুতই নতুন কমিশন গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আরেক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি দুদক আইন সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছিল। এ কারণে কমিশন গঠন বিলম্বিত হতে পারে–এমন ধারণা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ছিল। তবে সার্চ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় এখন নতুন কমিশন গঠনের পথ পরিষ্কার হয়ে গেছে।
তবে দুদক সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশে কমিশন গঠন করতে বিএনপি সরকার সম্মত না হওয়ার কারণে অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়া পর্যন্ত সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। এসব কারণেই বেশ বড় একটা সময় সংস্থাটিকে কমিশনশূন্য থাকতে হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ (১) অনুযায়ী কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করতে হয়। ওই কমি�