ঝালকাঠি জেলা এনসিপি আহ্বায়কের পদত্যাগ
ব্যক্তিগত ও পরিবারের কারণে পদ থেকে অবসর গ্রহণ করা হয়েছে
ঝ লক ঠ জ ল এনস প – ঝালকাঠি জেলা এনসিপি আহ্বায়ক মো. মাইনুল ইসলাম মান্নার পদত্যাগ ঘোষণা রোববার (৩১ মে) রাতে ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ করা হয়। তিনি দল থেকে স্থায়ী কার্যক্রম থেকে পৃথক হওয়ার সিদ্ধান্ত জানান, যার কারণ ব্যক্তিগত ও পরিবারের প্রতি বিশেষ ধরনের ক্ষতি ঘটেছে। এ বিষয়ে তিনি ঘোষণা করেন, তার সিদ্ধান্ত কেউ কোনো চাপে গ্রহণ করেনি এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়কের কাছে অব্যাহতি দাবি করা হয়েছিল।
আমি ঝালকাঠি জেলার এনসিপি আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত মনে হয়। কেউ যদি আমার কোনো কর্মকান্ডে বিশেষ আপত্তি ব্যক্ত করে থাকেন, তাহলে আমি তাদের সামনে স্বাক্ষর দিয়েছি। এনসিপি পরিচালনার অভ্যাস বদলে যাওয়া সম্পর্কে আমার নিজস্ব মতামত ছিল।
আহ্বায়ক পদ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও কার্যক্রম
ঝালকাঠি জেলার এনসিপি আহ্বায়ক পদটি চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে মো. মাইনুল ইসলাম মান্নাকে আহ্বায়ক নিয়োগ করা হয়, যার দায়িত্ব বিভিন্ন সংসদ আসনের পরিচালনায় সহায়তা করা হয়। কমিটির অধিকারী অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এবং সদস্যসচিব জুবায়ের হাওলাদার সহ এনসিপি এর কার্যক্রমকে সমর্থন করেছিলেন। প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি কোনো সম্মুখোক্তি দেননি।
ঝালকাঠি জেলা এনসিপি কমিটির প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় আহ্বায়ক পদ স্থানীয় কার্যক্রমের গুরুত্ব প্রকাশ করেছিল। তিনি এই পদে স্থানীয় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও সমাজে পার্টির প্রতিষ্ঠা অর্থনীত করেন। কিন্তু এখন তিনি পদ ছেড়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যার প্রতিফলন কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মান্নার পদত্যাগের ঘোষণা পরিবারের নিষ্ঠার সাথে বিশেষ সংগ্রাম সম্পর্কে সূত্র জানায় যে এনসিপির অভ্যাস বদলে যাওয়া সম্পর্কে তার নিজস্ব মতামত ছিল। এনসিপির কমিটি কর্মকান্ড অব্যাহতি প্রদান ছিল না, তাই তিনি নিজে থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ ঘোষণা কিছু সমাজকর্মী ও নেতাদের মধ্যে সমালোচনা আনে।
ঝালকাঠি জেলা এনসিপি কমিটির প্রতিষ্ঠার পর তিনি প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও সংগঠনের দিক পরিবর্তন করা হয়েছে। পদ ছেড়ে দেওয়ার পর এনসিপি প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি আরও বলেন যে তার সিদ্ধান্ত কোনো প্রক্রিয়া বাইরের চাপে নেওয়া হয়নি। ক