মেঘনা পেট পেট শেয়ারবাজারের নতুন ‘সোনার হরিণ’, নাকি ফাঁদের ইশারা?
দামের ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনীতির পরিস্থিতির মধ্যে সংঘর্ষ
ম ঘন প ট শ য় রব – শেয়ারবাজারে কখনো কখনো কোম্পানির আবির্ভাব হয়, যাদের শেয়ারের দর আচমকা বৃদ্ধি পেয়ে ওঠে। এগুলো বিনিয়োগকারীদের মনে হয় সোনার হরিণের মতো। তাদের দেখতে চোখ টানে এবং ছুঁলে মুনাফা করার প্রমাণ আছে। কিন্তু এই লাভের পেছনে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে অনিশ্চয়তার কোনো ঘনিয়ে ওঠা হার রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ এক নতুন আলোচিত নাম হয়ে উঠেছে। শেয়ারের দাম মাত্র এক মাসে ১৬৮% বেড়েছে। চার মাসে তা ৩০০% ছাড়া কম হতে পারে না। গত ৫ এপ্রিল সেই শেয়ারের দর ছিল ২৬ টাকা ৩০ পয়সা। এক মাস পর দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকা ৫০ পয়সায়। অর্থাৎ প্রতি শেয়ারে দাম বেড়েছে ৪৪ টাকা ২০ পয়সা।
যে কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয় না তার একটি শেয়ারের দাম ৭০ টাকা, এটা কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারে না। আর এক মাসে প্রায় দুইশ শতাংশ দাম বাড়াও কোনো স্বাভাবিক লক্ষণ না।
বছরের পর বছর ধরে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হাবুডুবু খাচ্ছে। সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে প্রতি শেয়ারে ক্ষতি হয়েছে ৬৩ পয়সা। লোকসানে নিমজ্জিত হওয়ায় কোম্পানিটি লভ্যাংশ দিতে পারছে না। ডিএসই ওয়েবসাইটে সর্বশেষ কবে কোম্পানি লভ্যাংশ দিয়েছে, তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ কারণে কোম্পানিটি পচা ‘জেড’ গ্রুপে রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের চোখে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ার ঝলমলে দেখায়। কিন্তু এই উত্থান পেছনে কী আছে তা সন্দেহে রয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক্সপার্ট না হলে এ ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করা উচিত না।
ডিএসইর এক সদস্য বলেন, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার সংখ্যা খুব বেশি না। পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি টাকা এবং শেয়ার সংখ্যা এক কোটির কিছু বেশি। এ ধরনের কোম্পানির শেয়ার কয়েক বিনিয়োগকারীর পক্ষে যোগসাজশ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা এবং দাম বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য বড় ধরনের ফান্ড প্রয়োজন হয় না।
আবার এক সদস্য বলেন, শেয়ারবাজারে কখনো কখনো কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সেটি যদি মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার হয়, তাহলে প্রশ্ন কম ওঠে। কিন্তু লোকসানে নিমজ্জিত হওয়া কোম্পানির শেয়ার হঠাৎ ২০০-৩০০ শতাংশ �