অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকা সুদসহ ফেরত পাচ্ছেন শাকিরা
অবশ ষ ৭৬৫ ক ট ট ক – আট বছরের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর শাকিরার কাছে অবশেষে আনুমানিক ৭৬৫ কোটি টাকার সুদসহ ফেরত ঘোষণা করা হয়েছে। স্পেনের সর্বোচ্চ আদালত তাকে কর ফাঁকির অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি দিয়েছে এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো ফেরত দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে। এই আদেশের সাথে সাথে বিশ্বের পপ তারকা ও সংগীত মানদণ্ড তৈরি করেছেন নিজের সুনাম রক্ষার জন্য প্রচুর সাংবাদিক ঘনিষ্ঠতা এবং সার্বিক চাপের মধ্য দিয়ে পাস।
অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকার অভিযোগের বিপর্যয় কি ছিল?
শাকিরার বিরুদ্ধে স্পেনে কর ফাঁকির অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছিল তিনি ২০১১ সালে ওই দেশে ১৮৩ দিন অবস্থান করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। এ কারণে তাকে করদাতা হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতের তথ্য অনুযায়ী, সেই অর্থবছরে তিনি স্পেনে ছিলেন মাত্র ১৬৩ দিন, যা করযোগ্য বাসিন্দা হিসেবে গণনার জন্য আরও ২০ দিন কম। এ কারণে কর কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং আরোপিত জরিমানা অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। তার ফেরতযোগ্য অর্থের মধ্যে রয়েছে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ইউরো আয়কর এবং ২৫ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা।
এই আদালতের রায় সম্পূর্ণ পরিবর্তনের পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠা করেছে। কর কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘ সময় বিবাদ চালিয়েছিল যার পরিণতি অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকার সুদসহ ফেরত ঘোষণা করা হয়। আদালত বিবেচনা করেছে যে অভিযোগের প্রমাণ পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য ছিল না। কারণে সম্পূর্ণ মামলা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে স্থির করা হয়।
অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া কীভাবে ঘটেছে?
স্পেনের আদালত যে রায় দিয়েছে তার প্রমাণ নির্ধারণে দীর্ঘ সময় বিবাদ চালিয়েছিল। মূল অভিযোগ ছিল যে শাকিরা স্পেনে বিশেষ করে ২০১১ সালে তিনি করদাতা হিসেবে গণ্য হবেন কারণে অবস্থান করেছিলেন প্রায় ১৮৩ দিন। কিন্তু তদন্তের পর সেই সংখ্যা বদলে আসে যে তিনি ছিলেন কেবল ১৬৩ দিন স্পেনে। এটি অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকার সুদসহ ফেরত দেওয়ার মূল কারণ হিসেবে স্থাপিত হয়। আদালত বিবেচনা করেছে যে অভিযোগের প্রমাণ নির্ভরযোগ্য ছিল না, যার ফলে তার বিরুদ্ধে আরোপিত জরিমানা ও কর ফাঁকি ঘোষণা করা হয়েছিল অবৈধ।
অবশেষে ৭৬৫ কোটি টাকার ফেরত নিশ্চিত করার পর শাকিরা আরও একটি বিবৃতি দেন যেখানে তিনি দীর্ঘ আট বছর ধরে অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তার বক্তব্যে বলা হয়েছে যে এই প্রক্রিয়াটি তার পরিবার ও স্বাস্থ্যকে ধীরে ধীরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলেন, এই মামলায় তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি নিয়ে প্রমাণ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ, বরং পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল অন্যায় ও অপ্রমাণিত।
শাকিরা বলেন, ‘যখন আমি অবশ