‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষটি কি আসলেই বিরল প্রজাতির?
বিরল মহিষ কেন আকর্ষণ তৈরি করেছে?
ড ন ল ড ট র ম – ঢাকার মিরপুর স্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় নামকরণ করা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামে একটি মহিষ, যার জন্য দর্শনার্থীদের মন গলে গেছে। শুক্রবার (২৯ মে) পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ খাঁচার সামনে জমা হয়েছে। যারা মহিষটিকে দেখতে গেছেন, তারা আপত্তি জানাচ্ছেন যে প্রাণীটির চুল, চোখ এবং মুখের রূপ মানুষের পরিচিত ব্যক্তি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো।
আয়েশা বলেন, ‘ওকে দেখতে অনেক মানুষ এসেছে। ওকে যদি ছেড়ে দেওয়া হতো তাহলে ভালো হতো।’
গবেষকদের মতে আলবিনো কি বিরল প্রজাতির?
অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্য বলে অনেকে মহিষটিকে বরণ করছেন। কিন্তু বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের প্রধান ড. মো. মুনির হোসেন জানান, অ্যালবিনো প্রজাতি নয়, এটি একটি জেনেটিক বৈশিষ্ট্য মাত্র। প্রাণীর দেহে মেলানিনের অভাবে এমনটি হয়। এই অবস্থাকে অ্যালবিনিজম বলা হয়, যা যে-কোনো জাতের মহিষে বিরলভাবে দেখা যায়।
‘অ্যালবিনিজম সত্যিকার অর্থে এক ধরনের জেনেটিক ডিজঅর্ডার বা ক্যারেক্টার, এটা বিরল।’
জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালকের কথা
চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, মহিষটিকে প্রদর্শনীর জন্য নয়, বরং গবেষণার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটা বন্যপ্রাণী সম্পর্কিত শিক্ষা ও গবেষণার একটি কেন্দ্র। সম্প্রতি অ্যালবিনো জাতের একটি মহিষ চিড়িয়াখানায় যুক্ত হয়েছে। এটা প্রকৃতপক্ষে জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই স্বাভাবিক মহিষ থেকেও অ্যালবিনো মহিষ সৃষ্টি হতে পারে।’
মহিষটি কেন নামকরণ করা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’?
আয়েশা বলেন, ‘চিড়িয়াখানায় আগেও এসেছি, তবে এবার এসেছি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখার জন্য। আসল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকৃতির সঙ্গে এই মহিষের চুল, চোখসহ অনেকটা মিল আছে। কিন্তু আসল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণ আর মহিষের আচরণে কোনো মিল নেই।’
অন্যদিকে ইমরুল শাহাদাৎ জানান, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে মহিষটি চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসার কারণে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েছে। অন্য খাঁচাগুলোর সামনে তেমন মানুষ নেই। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে খাঁচার পাশে কত মানুষ দেখেছেন?’
‘আমার মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে আসার কারণে চিড়িয়াখানার মার্কেটিং হবে, অনেক মানুষ আসবে।’
ফাতেমা আক্তার নামে আরেক দর্শনার্থী জানা�