‘৩০০ টাকায় গরুর চামড়া বিক্রি, ১০০ টাকাই গেলো ভাড়ায়’
৩০০ ট ক য় গর র চ – জামালপুরে সরকার নির্ধারিত দাম অনুসারে পশুর চামড়া বিক্রি করা হচ্ছে না বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শোনা গেছে। তাদের দাবি, ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া কেনার দাম প্রায় অর্ধেকের চেয়ে কম হারে নিচ্ছেন। এ কারণে মানুষের ক্ষেত্রে মূল্যহ্রাসের কারণে বেশি ক্ষতি হচ্ছে। মাদরাসা ও এতিমখানাগুলোও প্রভাবিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গরুর চামড়ার সরকারি মূল্য নির্ধারণ
সরকার বর্তমান বছরে গরুর চামড়ার মূল্য প্রতি বর্গফুট ৬০ টাকায় নির্ধারণ করেছে। খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মাঝারি আকারের গরুর চামড়া প্রায় ৯৫০ থেকে ১২০০ টাকায় এবং বড় গরুর চামড়া প্রায় ১৪০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি করা হবে বলে বিজ্ঞাপন করা হয়েছে।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) থেকে শুক্রবার (২৯ মে) পর্যন্ত বড় গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। সন্ধ্যার দিকে একই চামড়া কোথাও ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, আবার কোথাও মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। মাঝারি গরুর চামড়াও সেই দামের অধিকাংশ স্থানে সামান্য হারে বিক্রি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের কোন অভাব ছিল না
ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়িয়েছে বলে আশা ছিল চামড়া বিক্রি করা হবে অন্তত ২ হাজার টাকায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা শুধু বিক্রেতা কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে চামড়া নেওয়ার জন্য বাধ্য হয়েছে। প্রশাসনে সঠিক দেখভাল না হওয়ায় চামড়া বিক্রেতারা ইচ্ছামতো মূল্য নির্ধারণ করছেন।
জামালপুর শহরের বাইপাস এলাকার বাসিন্দা বাবু বলেন, “১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় গরু কিনেছি। সরকার দাম ব