মালয়েশিয়ায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন
ম লয শ য য পব ত – বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানী কুয়ালালামপুরের ঐতিহাসিক মসজিদ নেগারার সাথে দেশটির বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবে লোকে ধর্মীয় মর্যাদা ও পরিবেশের সাথে ত্যাগের চেতনা জানানোর সাথে সাথে সামাজিক বন্ধুত্বের প্রমাণ দেখা গেল।
জামাতে স্থানীয় মালয়, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও চাইনিজ মুসলিমসহ বিভিন্ন জাতি ও বর্ণের হাজারো মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। এদিকে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সামাজিক বন্ধুত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেছেন।
নামাজের পর পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। গরু, ছাগল ও মহিষের পাশাপাশি কিছু এলাকায় উট ও দুম্বাও কোরবানি করা হয়েছে। মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার ও কমিউনিটি সংগঠনগুলো মাংস দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মধ্যে বিতরণ করে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজা সুলতান ইব্রাহিম এবং প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম পৃথক বাণী দিয়েছেন। তাদের বাণীতে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়েছে।
জাতীয় মসজিদ নেগারার গ্র্যান্ড ইমাম ড. আমরু আলহাজ্ব বিন আদনান খুতবায় বলেন,
‘এটি হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষার অন্যতম মহান ইবাদত। যুগে যুগে সব নবী-রাসুলের জন্যই এটি বিধিবদ্ধ ছিল। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ আজও মুসলিম উম্মাহকে অনুপ্রাণিত করে।’
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রাজায়ার পুত্রা মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এ পরিবেশে মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম ড. মোহাম্মদ জাকওয়ান রোদজালি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করেন।
ঈদের নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রদেশে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাপকভাবে অংশ গ্রহণ করেছেন। অনেকে অডিও ও ভিডিও কলে দেশের প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খাঁন চৌধুরী প্রবাসী বাংলাদেশি ও মালয়েশিয়ান নাগরিকদের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদেরও শুভকামনা জানান। হাইকমিশনার বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেন মালয়েশিয়া সরকারের নিয়ম-কানুন মেনে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব করেন।
সামাজিক সম্প্রীতির আনুষ্ঠানিক উদ্যোগে সবার সুস্বাস্থ্য