ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সরকার নতুন পদক্ষেপে সম্পূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে
ঈদ য ত র য ক ন – ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পরিচিত নয়, এটি আত্মীয়তা ও জনপ্রিয়তা নিয়ে এক মহান উপলক্ষ। বছরে বছরে কর্মব্যস্ত মানুষ নিজেদের কাছে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু ঈদুল আজহার সময়ে সড়ক যাতায়াতের বিপ্লব ঘটেছে। পুরো দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন আকার আসছে, যেটি প্রতিবছর হাজারো মানুষ মৃত্যু ঘটানোর বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী রবিউল আলম বলেছেন, সীমাবদ্ধতা রয়েছে কিন্তু সরকার এবার ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে চায়।
সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকার যেকোনো মূল্যে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে চায়
এ বক্তব্য বৈষম্যহীন প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তব পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি। এ প্রতিশ্রুতি সত্য করে দেখাবে যে সরকার মানুষের প্রতি যাত্রা করতে হবে না, আরো স্বস্তি পেতে সক্ষম হবে।
ঈদের সময় বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল উন্নয়ন
পূর্বে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ কিংবা দক্ষিণাঞ্চলে যাওয়া যাত্রীদের প্রায় ১২ থেকে ১৫ ঘন্টা সময় লেগে যেত। কিন্তু এখন পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত বিপ্লবের পরিণতি দেখা গেল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নতুন গতি সরকার আরো অগ্রগতি ঘটাবে।
মেট্রো রেল কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। সড়ক দুর্ঘটনার হার কমানোর জন্য ব্যবস্থা হচ্ছে। সিসি টিভি, ড্রাইভারদের বাধ্যতামূলক বিশ্রাম সংক্রান্ত ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে। এসব উদ্যোগ সংস্কৃতি উন্নয়নের পরিচায়ক।
ঈদ দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে সড়ক পরিবহন আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা
ঈদ যাত্রার বৃহৎ সংকটের মূল কারণ হল অনিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক ও দুর্ঘটনা। বাংলাদেশে প্রতিবছর চালকদের অদক্ষতা ও যানবাহনের অসম্পূর্ণতা ফেরিঘাটে নিহতদের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপ রাষ্ট্রের মানবিক দায়িত্ব প্রমাণ করে।
সড়ক দুর্ঘটনার হার কমানোর জন্য প্রযুক্তি নির্ভর ট্রাফিক মনিটরিং পদ্ধতি প্রবর্তন হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশিং ব্যবস্থাও ক্রমে চালু হবে। এসব পদক্ষেপ সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিফলন।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ সংকট সমাধানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা �