বাংলাদেশ ব্যাংক মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দণ্ড সুদ হার কমালো
ম য় দ ত ত র ণ – বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রকাশ্য নীতিমালা প্রকাশ করেছে যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দ্বারা আদায় করা হবে দণ্ড সুদের হার কমানো হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে আগে সর্বোচ্চ ১.৫ শতাংশ দণ্ড সুদ থাকা হার এখন সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ হয়ে গেছে। নতুন নীতি অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের ঋণ পরিশোধ করার সময় দণ্ড সুদ কমিয়ে দেখতে পারে। এই পরিবর্তন মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের ক্ষেত্রে কেবল মেয়াদোত্তীর্ণ কিস্তির ওপর প্রযোজ্য হবে।
নতুন নীতির লক্ষ্য ও গুরুত্ব
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তটি বিনিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল করার এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দণ্ড সুদ কমানো দ্বারা ব্যাংকের ঋণ প্রদান সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং ব্যবসায়িক ব্যাংকগুলোর জন্য আরও সহজ ঋণ পরিশোধের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই পরিবর্তন সর্বোচ্চ দুই শতাংশ হারে আদায় করা হবে দণ্ড সুদ বিষয়ে কোনও সামগ্রিক পরিবর্তন আনে।
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দণ্ড সুদ হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
সার্কুলারের বিস্তার এবং কার্যকাল
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ একটি সার্কুলার জারি করেছে যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহীদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। এই সার্কুলারে এটি স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছে যে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দ্বারা আদায় করা দণ্ড সুদ কমানো হয়েছে। আগের নির্দেশনার কিছু শর্ত বর্তমান নীতিমালার সাথে সম্পূর্ণ সার্থক হবে।
নতুন নীতিমালার কার্যকাল ঘোষণা করা হয়েছে যে কোনও সময় থেকে শুরু হবে। এই পরিবর্তন বিনিয়োগ প্রবাহ উন্নত করার দিকে অগ্রসর করেছে। বিনিয়োগ ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য দণ্ড সুদ হার পরিবর্তন করা হয়েছে।
তলবি ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যতা
এই নীতিমালা অনুযায়ী চলমান ঋণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ঋণস্থিতির ওপর দণ্ড সুদ আরোপ করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের ক্ষেত্রে কেবল মেয়াদোত্তীর্ণ কিস্তির ওপর দণ্ড সুদ প্রযোজ্য হবে। তবে ব্যাংকগুলো কম দণ্ড সুদ গ্রহণ করার জন্য অন্য ধরনের ঋণের জন্য বিশেষ নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে।
মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের দ্ব