তেলাপোকার কাছে হেরে গেল মোদীর বিজেপি!
অনলাইন আন্দোলন কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতায় পরিণত হয়েছে
ত ল প ক র ক ছ – তেলাপোকার ধারণাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া একটি আন্দোলন বর্তমানে ভারতের রাজনৈতিক পরিবেশে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই আন্দোলন সূর্য কান্ত প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়। তিনি তরুণদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করা হয়েছিল যারা কর্মসংস্থান পায় না। এর পর আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার ফলে অভিজিৎ দিপ ক্ষমতাসীন বিজেপি বিরোধিতা করে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) গঠন করেন।
তুলনা করে জেন জি ক্ষোভের ভারী ঝড়
সূর্য কান্ত প্রধান বিচারপতি এক উন্মুক্ত শুনানিতে তরুণদের বর্ণনা করেন ‘তেলাপোকা’ এবং ‘পরজীবী’ শব্দের সাথে। এই বিষয়ে গোটা দেশে বিস্মিত ও আক্রন্ত ভাবনা উপস্থিত হয়। তার স্পর্শ করা মানুষ ব্যাপক সংখ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। তার প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দিপ বলেন, সব তেলাপোকা যদি একত্রে চলে আসে, তবে কী হবে? এর পর তিনি ক্ষমতাসীন বিজেপি নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন।
যিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করবেন, তার কাছ থেকে এমন তুলনা মানুষকে বেশি আঘাত করেছে।
ত্রুটি স্বীকৃতি এবং প্রসারিত জনপ্রিয়তা
সূর্য কান্ত তার ধারণার অর্থ স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, তার মন্তব্যটি ভুলভাবে উদ্ধৃত হয়েছে। আসলে তিনি ভুয়া সনদ ব্যবহারকারীদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক আবেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিজেপির বিরুদ্ধে উঠে এসে তেলাপোকা জনতা পার্টির প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ‘তরুণদের শক্তিকে ছোট করে দেখবেন না।’ সিজেপির আরও একটি পোস্টে ব্যঙ্গ করে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় দল—এটাই বলা হয়েছিল।’
অনুসারী সংখ্যা ও বিজেপির সংকট
তেলাপোকা জনতা পার্টির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি মাত্র পাঁচ দিনে এক কোটি অনুসারী অর্জন করে। বিজেপি তার পরে অনুসারী প্রায় ৮৭ লাখ। কংগ্রেস দলের সংখ্যা গোটা দেশে এক কোটি ৩২ লাখ। সিজেপি মাত্র ৫৬টি পোস্ট দিয়ে এক কোটি অনুসারী পেয়েছে। এর বিপরীতে বিজেপি দীর্ঘ সময় ধরে ১৮ হাজারের বেশি পোস্ট প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনের সাথে আলোচনার সম্পৃক্ত করেছেন নানা রাজনৈতিক ব্যক্তি
তেলাপোকা আন্দোলনের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও আলোচিত ব্যক্তি। মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, প্রশান্ত ভূষণ সহ বিভিন্ন ব্যক্তি এই প্ল্যাটফর্মে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রশা�