অবৈধ সম্পদ: বেনজীরের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিলেন হাফিজুল ইসলাম
দুদকের উপপরিচালক আদালতে জবানবন্দি দেন
অব ধ সম পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের মামলায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ বুধবার শুরু হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে হাফিজুল ইসলাম প্রথম সাক্ষ্য দেন। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হিসেবে আভিযোগ প্রমাণ জমা দেন। এই সাক্ষ্য দাবি করে যে বেনজীর আহমেদের সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখিত পরিমাণ তার নামে বিনিয়োগ ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বেশি হয়েছে। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী তার সম্পদের সূত্র ও মালিকানা গোপন করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। বেনজীর আহমেদ নিজের সম্পদ বিবরণীতে কোটি লাখ হাজার পরিমাণে তথ্য প্রদান করেছিলেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে স্থাবর সম্পদের মূল্য বেশি হয়েছে বলে পাওয়া গেছে। আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত মার্চ সংখ্যার আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তদন্ত শেষে নভেম্বর সংখ্যার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় অব ধ সম পদ অর্জনের প্রমাণ সংকলন করা হয়েছে।
অব ধ সম পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় হাফিজুল ইসলামের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দুদকের হাতে প্রকৃত সম্পদের বিবরণ প্রদান করেছেন। তার সাক্ষ্য অনুযায়ী বেনজীর আহমেদ একটি অপরাধ সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর সম্পদ কোটি লাখ হাজারে প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু বিশেষ আদালতে তার নামে তথ্যের পরিমাণ বেশি হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই সম্পদ তদন্তে দুদক এখন পর্যন্ত তার সম্পদের উৎস গোপন করে সম্পদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করছে।
এই মামলার মাধ্যমে অব ধ সম পদ অর্জনের ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা প্রমাণ করা হচ্ছে। হাফিজুল ইসলাম বলেন, বেনজীর আহমেদ নিজের সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর সম্পদ কোটি লাখ হাজার পরিমাণে প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু তদন্তে সেই সম্পদের সূত্র বেশি হয়েছে বলে দেখা গেছে। তিনি আদালতে সন্ধান করে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ প্রদান করেছেন।
আদালতে অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ সংগ্রহ শুরু হয়েছে
অব ধ সম পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের মামলার জন্য আদালত প্রস্তুতি করছে। তদন্ত চালানোর পর বেনজীর আহমেদ নামে বিনিয়োগ এবং স্থানান্তর করা সম্পদ জের জারি করা হয়েছে। হাফিজুল ইসলাম এই সাক্ষ্য দিয়ে দুদকের হাতে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ জমা দেন। আদালত সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ সোহানুর রহমান তথ্য নিশ্চিত করেছেন যে অব ধ সম পদ প্রমাণ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আদালত এখন তদন্ত চলমান �