ইরানে বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অক্ষত রয়েছে: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট
ইর ন ৭০ শত শ ক ষ – ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মার্কিন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় দাবি করেছিল। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, এখনও ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ও মোবাইল লঞ্চার সংরক্ষিত রয়েছে।
১৩ মে প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান আবারও প্রায় ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র সক্রিয় করার ক্ষমতা অর্জন করেছে। এ রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছিল মে মাসের শুরুর দিকে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র প্রত্যাখ্যান করেছেন দাবি
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলভিয়া ওয়ালেস বলেন, ইরানের সামরিক শক্তির ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার ধারণা সঠিক নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ইরান তার বর্তমান বাস্তবতা টেকসই নয় বলে মনে করছে।
ট্রাম্প সরাসরি বিশ্বাস করেন যে সামরিক বাহিনী পুনর্গঠন করেছে বলে কেউ মনে করতে পারে। যদিও বিভিন্ন সাংবাদিকতা ও বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র উঠে এল, তবু ট্রাম্প প্রতিবেদন দিয়ে বিজয়সূচক বক্তব্য জানাচ্ছেন।
গত শনিবার ইরানি আইআরজিসি বিমান বাহিনীর কমান্ডার মাজিদ মৌসাভি জানান, যুদ্ধবিরতির সময়ে ইরান অধিকতর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার প্রস্তুত করেছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, এই সময়ে সামরিক বাহিনী চূড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষায় সরাসরি প্রস্তুত রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধে ইরানে ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ ও ৪৯৬ জন নারী নিহত হন। চিকিৎসাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে আহত হয়েছেন ১১৮ জন চিকিৎসা কর্মী।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রদানের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন।