গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে যশোর
গ র ষ ম র খরত প – যশোর জেলার মানুষ তাপপ্রবাহের প্রতিকূলতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতে শুরু হওয়া উষ্ণতার প্রবাহ বাস্তব জীবনে বিপর্যস্ত হাসিল করেছে। সোমবার রাতে বৃষ্টিপাত হয়েছিল কিন্তু তা তাপের প্রভাব কমাতে পেরেছিল না।
মঙ্গলবার যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের সর্বোচ্চ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গত পাঁচ দিন ধরে জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার কারণে সম্পূর্ণ এলাকায় জীবন খারাপ হয়ে পড়েছে।
ঘূর্ণিত তাপমাত্রা ও দুর্দান্ত বৃষ্টির কথা
সোমবার সকাল থেকে তাপমাত্রা উঠতে থাকে। দুপুর নাগাদ তাপ ছাড়িয়ে যায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সন্ধ্যায় ঝোড়ো বাতাস ও বৃষ্টির কারণে কিছু স্বস্তি ফিরে আসে। রাতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২৪ মিলিমিটার হয়েছিল।
‘প্রচণ্ড গরমে অনেক মানুষ ডাব খেতে আসছে। কিন্তু গরমে ডাবের পানিও যেন গরম হয়ে যাচ্ছে। রোদে দাঁড়িয়ে ডাব বিক্রি করতে নিজের জানই বের হয়ে যাচ্ছে।’ – যশোর শহরের সার্কিট হাউজ মোড়ে ডাব বিক্রেতা জালাল উদ্দিন
কর্মজীবীদের কষ্টের কথা
রিকশাচালক জালাল হোসেন বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে গায়ে যেন আগুনের ধাক্কা লাগছে। একটু রিকশা চালালেই ঘামে গা ভিজে যাচ্ছে। গরমে মাথা ঘুরে উঠছে। যাত্রীও পাচ্ছি কম।’ তিনি তাপের প্রতি নিজের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।
যশোরে প্রায় পাঁচ দিন ধরে ক্ষেত এবং রাস্তাঘাটে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হয়েছে। সোমবার তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। তবে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড বাঁধে।