মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ
এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/এএসএম
মধ যপ ড় খন ত প থর – দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে খনির উৎপাদন ব্যবস্থা অবরুদ্ধ রয়েছে। খনি কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা কাজ চলমান রয়েছে। এ খনি মধ যপ ড় খন ত প রাজনৈতিক ও আর্থিক গুরুত্ব সহ একটি কেন্দ্রীয় বিপণী হিসেবে পরিচিত। এখনও বন্ধ থাকা কারণে বিশেষ করে মধ যপ ড় খন ত প এর জন্য প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক পদার্থের সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
খনির মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ রফিজুল ইসলাম ঘোষণা করেন, আমদানি করা বিস্ফোরক দ্রব্যের সরবরাহ বিলম্বের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন চালান আসলে পাথর উত্তোলন পুনরায় শুরু হবে। গত কয়েক মাসে মধ যপ ড় খন ত প এ বিস্ফোরক পদার্থের সঞ্চয় কমে আসার কারণে খনির কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছে। এ পর্যন্ত পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে কিন্তু আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমাধানের আশায় চলছে।
বিস্ফোরক পদার্থ সংকটের সমাধানে জুলাই নির্ধারণ হয়েছে
খনি সূত্রে জানানো হয়েছে, সর্বশেষ ২০২৫ সালে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে খনির কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির একটি সূত্র জানায়, বন্ধ কার্যক্রমের কারণে খনির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। মধ যপ ড় খন ত প এ উৎপাদন বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণের ক্ষমতা কমে আসছে। প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী সমাধানের জন্য গৃহীত কৌশলগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, উৎপাদন বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা কাজ চলমান রয়েছে। মধ যপ ড় খন ত প এ সমস্ত খনি যাত্রাপথ ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি খনি কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানের জন্য বিস্ফোরক পদার্থ সরবরাহের বিলম্ব বিপন্ন কর্মীদের জন্য চিংকি কারণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
খনি কর্মীদের মতে মধ যপ ড় খন ত প এ উৎপাদন বন্ধ হওয়া খনির আর্থিক অবস্থা ও কর্মসংস্থান প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এ পর্যন্ত খনির সম্পূর্ণ কর্মীদের আন্তর্জাতিক পাথর বিপণনে নিয়োগ সম্ভবত নেওয়া হবে না। খনি কর্তৃপক্ষ বলেন, বিস্ফোরক পদার্থ সরবরাহের সমস্যার প্রতিকারের জন্য সরকার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তারা মধ যপ ড় খন ত প এ বিস্ফোরক পদার্থ বিতরণ বৃদ্ধি করার সম্মতি চাচ্ছেন।
মধ যপ ড় খন ত প এ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে কিন্তু নিয়মিত কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। খনি কর্তৃপক্ষ জানায়, বিস্ফোরক পদার্থের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। এ সংক্রান্ত বিষয়টি খনি কর্মীদের মধ্যে জনপ্র