২৫৬ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ
তদন্তের মাধ্যমে নথি জব্দ করা হয়েছে
২৫৬ ক ট ট ক র শ – ২৫৬ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিভিন্ন নথি জব্দ করেছে। যে নথিগুলি দুদক গ্রহণ করেছে তা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে আসছে বলে উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন। তদন্তে গৃহীত প্রতিবেদনগুলি প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এবং মামলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করতে দুদক স্থায়ী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। মামলার প্রসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ রয়েছে যেখানে সাকিব আল হাসান এবং তার সহযোগীদের মাধ্যমে মোট ২৫৬ কোটি টাকা অর্থ নির্ধারণের জন্য বিশেষ করে কারসাজিকারীদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মামলার তদন্ত চলছে এবং দুদক বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করেছে যার মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে সরাসরি দুই কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে দুদক নথি জব্দের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
বিনিয়োগের প্রক্রিয়া ও তদন্ত দল
গত বছরের এপ্রিলে শেয়ার কেলেঙ্কারি ঘটনার জন্য সাকিবের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক দুই সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করেছে যার পরিচালনার দায়িত্ব মাহবুবুল আলমে রয়েছে। এই দল কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরু মাধ্যমে কোম্পানি গুলির শেয়ার বিনিয়োগের প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করছে। তদন্তের প্রক্রিয়ায় সাকিব ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ নির্ধারণের জন্য বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত পরিচালন করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে দুদকের হটলাইন উদ্বোধন ও দুর্নীতিবিরোধী প্রচারে সাকিব ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে নানা বিতর্কের কারণে ২০২২ সালে তার সঙ্গে করা সেই চুক্তি আর নবায়ন করেনি দুদক। এই ঘটনার প্রতিবেদন বিএসইসি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে যার মাধ্যমে বিভ্রান্ত করার প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে যেখানে অর্থ নির্ধারণের জন্য সাকিব ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত আদেশ করা হয়েছে।
বিএসইসি থেকে নথি গ্রহণের মাধ্যমে তদন্ত দল সম্প্রতি প্রমাণ সংগ্রহ করছে যে সাকিব আল হাসান