পুলিশের বিশেষ শাখা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে
স ব দ ক স স ক – ঢাকা মহানগর শাখার পূর্ব বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বিশেষ শাখা (এসবি) পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১৮ মে তার সই করা একটি চিঠি মতিঝিল, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, পল্টন ও সবুজবাগসহ ঢাকার কয়েকটি জোন ইনচার্জকে পাঠানো হয়েছে। সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্টসহ বিভিন্ন তথ্য গ্রহণের জন্য পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ শাখা পুলিশ এই তথ্য সংগ্রহ করে সম্ভাব্য বিশেষ ক্ষেত্রে সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের রাজনৈতিক প্রতিবেদন ও সামাজিক মূল্যায়ন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে বলে অনুমান করা যাচ্ছে।
পুলিশ দ্বারা নেওয়া তথ্যের ধরন ও কাজের প্রক্রিয়া
গত ১৪ মে ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স শাখা থেকে পুলিশকে নাম-ঠিকানা, পরিবারের রাজনৈতিক পটভূমি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্টসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশেষ শাখা পুলিশ এই তথ্য সংগ্রহ করে সম্ভাব্য বিশেষ ক্ষেত্রে সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক তথ্য তালিকাভুক্ত করতে পারে। তারা এখন পর্যন্ত পাওয়া সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছেন যাতে একটি সম্পূর্ণ ডেটাবেস তৈরি করা যায়। এই তথ্যগুলি পুলিশের বিশেষ শাখার জন্য প্রয়োজনীয় কাজে সাহায্য করতে পারে।
এসবি পুলিশের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে কোনো সংঘটিত ঘটনার বিপাকে সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তি ব্যবস্থা স্থাপন করা হতে পারে। পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করছে যাতে নিরাপত্তি ব্যবস্থার সঠিকতা নিশ্চিত হয়। তারা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পূর্ণ প্রতিবেদন ও সমালোচনা করতে পারবেন যে কোনো রাজনৈতিক প্রতিবেদন বা সামাজিক আন্দোলনের প্রভাব বুঝতে সাহায্য করবে।
ঢাকা মহানগরের সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের এই নির্দেশনার প্রতিবেদন নিয়ে কয়েকজন কর্মকর্তা সন্দেহ পোষণ করছেন। তারা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার সম্ভাবনা খুঁজে বার করতে পারেন। তারা এই তথ্য সংগ্রহ করে কোনো সমালোচনা বা প্রতিবেদনের প্রতি অবহেলা বা আক্রমণ করার উপায় নির্ধারণ করতে পারে। এটি একটি সংকটের সময় সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতি পুলিশের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উখিল হচ্ছে।
“সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ন