শেখ মুজিব ১৯৭৩ সালে স্বৈরাচারের সূচনা করে গেছেন: সারজিস আলম
শ খ ম জ ব ১৯৭৩ – সারজিস আলমের মতে, শেখ মুজিব রহমান ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নির্বাচন চুরি এবং জনপ্রিয়তা ক্ষীণতা দেখানোর মাধ্যমে স্বৈরাচারের বীজ বপন করেছিলেন। তিনি বলেন যে স্বাধীনতার পর তাঁর বীরত্ব এবং রাজনৈতিক ভূমিকা দেশের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রাথমিক ভূমিকা পালন করেছিল, কিন্তু তাঁর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণ এবং স্বৈরাচারের সূচনা করেছিল আওয়ামী লীগ ও তাঁর সমর্থকদের দ্বারা পরিচালিত সরকার। শনিবার (১১ জুলাই) রহনপুর রেলস্টেশন চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিশেষ আওয়ামী লীগের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে
সারজিস আলম এ মন্তব্য করেন যে শেখ মুজিব রহমান স্বাধীনতার পূর্বে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর তাঁর জনপ্রিয়তা সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল না। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বৈশিষ্ট্য দেখানোর জন্য তাঁর দ্বারা স্বাধীনতার পর সেই সময়ের বিরুদ্ধে তাঁকে দায়ী করা হয়। এই অভিযোগ দেখায় যে তিনি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোট কারচুপি করেছিলেন এবং বিরোধীদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন।
১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিব বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনায়ক হতে পারতেন। কিন্তু সেই সুযোগ দেননি তিনি। এ সময়ে তাঁর কর্মপন্থা দ্বারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হয়েছিল। সরকার নিয়ন্ত্রিত কেবল চারটি সংবাদপত্র চালু রাখা হয়েছিল এবং সমাজের বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের কর্ম সীমিত করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপ দ্বারা সামাজিক ও রাজনৈতিক মানহানি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
সারজিস আলম আরও বলেন যে, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারের মাধ্যমে তাঁর দ্বারা প্রাপ্ত ভোট বিপাকে সমাপ্ত করেছিল। তিনি দাবি করেন যে, সেই সময়ে যদি কোনো প্রচারণা না করতো, তাহলে দেশের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ কমপক্ষে ২৯৫টি আসন অর্জন করতে পারত। এটি তাঁর নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলো দ্বারা নির্বাচন চুরি করার প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়।
পদযাত্রা এবং সামাজিক আন্দোলনের প্রভাব
তিনি দাবি করেন যে, জুলাই পদযাত্রা এবং সমাবেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছিল। এ সময়ে বিশেষ ভাবে উপস্থিত ছিলেন নিমন্ত্রিত অনেক ব্যক্তি, যার মধ্যে ছিলেন এনসিপির রাজশাহী সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক রাশেদুজ্জামান রাসেল, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক জাহিদ হাসান এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মী। তাঁদের অংশগ্রহণ দেখায় যে শেখ মুজিবের স্বৈরাচার এবং সংস্থাগুলো সম্পর্কে সামাজিক বিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সংবাদপত্র সম্পর্কে আলোচনা করার সময়, সারজিস আলম বলে