Country

জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশ / রাজশাহীতে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বন্ধের সিদ্ধান্ত

রাজশাহীতে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বন্ধের সিদ্ধান্ত জ গ ন উজ স ব দ - রাজশাহী বিভাগে আম বিক্রয় ব্যবস্থার একটি স্থায়ী পরিবর্তন ঘটানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

Desk Country
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
14ab6c54-2a69-445e-9e13-2ea4ee5c09b3-0
Foto : Mary Jones - bangladailypost.com

রাজশাহীতে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বন্ধের সিদ্ধান্ত

Bangladailypost.com – জ গ ন উজ স ব দ – রাজশাহী বিভাগে আম বিক্রয় ব্যবস্থার একটি স্থায়ী পরিবর্তন ঘটানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত স্বাক্ষরিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, যিনি বলেন, “এ পরিবর্তন আম চাষির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” আড়তদাররা আম নিতে প্রায় ৪৪ থেকে ৫৪ কেজি পর্যন্ত বাধ্য করতেন, যা কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির সূত্রপাত করেছিল। এখন থেকে কেজি ভিত্তিক বিক্রয় চালু হবে, যার ফলে প্রতিটি কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে।

এই পরিবর্তন গৃহীত হয়েছে অনেক দীর্ঘ সময়ে আম বাজারে চাষির প্রতি কেজি মূল্যের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে। রাজশাহী বিভাগে ব্যাপক আম উৎপাদনের পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বে দাম চুক্তির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এ নীতি প্রবর্তন করা হয়েছে। সেই সময় আড়তদাররা প্রতি কেজি আমের মূল্য চাষি অপেক্ষা কম নেবার জন্য বৃদ্ধি করতেন। এখন সরকার চাষির পক্ষে মূল্য নিশ্চিত করতে চাইছেন।

প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করতে গৃহীত নীতি

রাজশাহী বিভাগে আম বেচাকেনার প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল। প্রতি কেজি আম বেচার জন্য তিন টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে পূর্বের অসুবিধা কমে আসবে। এটি চাষির বাজার অধিকার পুনরুদ্ধার বৃহত্তর উদ্দেশ্য পূরণ করবে।

নতুন নীতির অধীনে বিভাগের প্রতিটি মোকাম এবং পাইকারি বাজার কৃষকদের স্বাধীন বেচাকেনার জন্য উপযুক্ত হবে। এটি বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং কৃষি বিপণন অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক শাহানা আখতার জাহান বলেছেন যে, এই পরিবর্তন কৃষি উৎপাদনকে প্রতিযোগিতামূলক স্থানে স্থানান্তর করবে। বিশেষ করে আম বেচাকেনায় কমিশন বৃদ্ধি করার ফলে চাষির দাম স্থিতিশীল হবে।

রাজশাহী বিভাগে আম বেচাকেনার দাম কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে চাষির আয় বৃদ্ধির জন্য। এই পরিবর্তন জ গ ন উজ স ব দ দ্বারা নেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিটি কৃষকের আয় পুনরুদ্ধার হয়।

এই নীতি অনুসারে আড়তদারদের প্রতি কেজি আমের জন্য কমিশন তিন টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক শাহানা আখতার জাহান, ফল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম এবং সুন্দরবন

Leave a Comment