হাজার গোলের লক্ষ্যে রোনালদো, বাড়তি খেলার সময় নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
হ জ র গ ল র লক – পর্তুগালের অধিনায়ক চারপাশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চলেছেন বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ খেলা। তার লক্ষ্য কেবল দলকে শিরোপা দিতে হবে না, ফুটবলের ইতিহাসে গোল নিঃসঙ্গ পর্ব গুণে বিশ্বকাপে একটি একুমেন অর্জন করা তার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুই গোলের সাথে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের টুর্নামেন্টের রেকর্ড বিস্ফোট করেছেন। তিনি ইউসেবিওকে (১০) ছাড়িয়ে গেছেন এবং বিশ্বকাপে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৯৭৪ হয়েছে।
তবে রোনালদোর জন্য একটি সমস্যা উঠছে। তার তারকা ওপর শারীরিক চাহিদার কারণে সামগ্রিক প্রতিযোগিতার মাঠে তার প্রভাব কমে যেতে পারে। কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর ইএসপিএন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে তার প্রত্যাশিত গোল ছিল ০.১৭ এবং অ্যাসিস্ট ছিল ০.০৩। এই ড্রয় বিপক্ষে তিনি শেষ পর্যন্ত কিছুটা ক্লান্তি তৈরি করেছেন যা বিশ্বকাপের পর্বগুলোতে দলের জন্য সমস্যা হতে পারে।
পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ বলেন, “ক্রিশ্চিয়ানোর জন্য ৯০ মিনিট খেলা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু পরের ম্যাচের কথা তো জানা যায় না। আমরা ২১ জন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে ব্যবহার করেছি এবং আমরা সবার মধ্যে খেলার সময় ভাগ করে দিচ্ছি।”
ম্যাচের পরে খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে আরও বিতর্ক উঠছে। অন্য দলগুলো তাদের তারকা খেলোয়াড়দের দুর্বল হওয়ার আগে প্রস্তুতি পর্বে বিশ্রাম দিয়েছেন। যেমন আর্জেন্টিনা মেসিকে দ্বিতীয়ার্ধে নামিয়েছে এবং নরওয়ে হালান্ডকে খেলায় না দিয়েছে। কিন্তু রোনালদো শেষ পর্যন্ত মাঠে আছেন।
মার্তিনেজ বলেন, “আমরা অন্য দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে তুলনা করি না। সেটা শিশুসুলভ হবে।” রোনালদো ড্রেসিংরুমে সরাসরি প্রভাব ফেলছেন এবং বড় ম্যাচে ভাগ্য নির্ধারণ করতে অভ্যস্ত। তবে শেষ পর্যন্ত তার চাহিদা কৌশলগত সিদ্ধান্তের মধ্যে আবদ্ধ হয়েছে।
পরবর্তী টিকিটে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ হবে লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ৩ জুলাই ভোর ৫টায় টরন্টো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পরবর্তী পর্বে স্পেন ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে সীমান্ত প্রতিযোগিতায় প্রবেশ করবে।