বিশ্বকাপ ফুটবল / তুরস্কের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে প্যারাগুয়ে
ব শ বক প ফ টবল ত – প্যারাগুয়ে এবং তুরস্কের মধ্যে ম্যাচটি দুই দলের জন্যই জীবন ও মৃত্যুর লড়াই হয়ে উঠেছে। পরবর্তী পর্যায়ে উত্তীর্ণ হতে চায় দুই দল স্বাভাবিক ভাবে জয় অর্জন করতে হবে।
প্রথমার্ধে গোল করার মাধ্যমে প্যারাগুয়ে সুবিধা পেল
প্রথমার্ধে সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে তুরস্কের বিপক্ষে প্যারাগুয়ে অগ্রগণ্য অবস্থায় খেলছে। খেলার শুরু থেকেই গোলের সুযোগ সৃষ্টি করে দক্ষিণ আমেরিকার দল। ম্যাচের ৬৪ সেকেন্ডে হুলিও এনসিসো থেকে বল পেয়ে ম্যাতিয়াস গালারজা বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ে শট মারেন এবং গোল করেন। প্রাথমিক শুরুতে এত দ্রুত গোল হয়ে তুরস্ক সম্মুখে আরও চাপ ফেলে।
গোল খাওয়ার পর প্যারাগুয়ে সামনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখায়। তুরস্ক ম্যাচের শুরুতে প্রায় ৮২ শতাংশ বল দখল করে রাখে, কিন্তু প্রত্যাশিত গোল অর্জনে সমস্যা পরিষ্কার ছিল না। এক্সজিতে তুরস্কের সংখ্যা ০.৫৪ ছিল।
আলমিরনের লাল কার্ড সৃষ্টি করে নতুন নিয়ম
ম্যাচের অন্তিম পর্যায়ে প্যারাগুয়ের অধিনায়ক মিগুয়েল আলমিরনের বিরুদ্ধে প্রথম তুরস্কের খেলোয়াড় কিছু বলার সময় তার মুখ হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। এই ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ফিফা নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ঢেকে কথা বলা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য।
সাইডলাইন মনিটর ব্যবহার করে রেফারি ইভান বার্টন ঘটনা পর্যালোচনা করেন। ফলে আলমিরনকে লাল কার্ড দেওয়া হয়। তার পর প্যারাগুয়ে বাকি খেলার সময় ১০ খেলোয়াড়ে নেমে আসে। তবুও তারা লিড বজায় রাখে এবং প্রথমার্ধে সুবিধা পেয়ে থাকে।
বিশ্বকাপের ফল সামনে তুরস্ক জয় অর্জনের জন্য গুরুতর বৈকল্পিতা ছিল। প্রতি শটের সংখ্যা দেখা গেলে তুরস্ক মাত্র একটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিপক্ষ দলের আয়তন ছিল ৪ মিনিট। তাদের মাত্র চারটি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে পৌঁছেছে প্যারাগুয়ে। এক্সজিতে তার সংখ্যা ছিল ০.১১।