বিশ্বকাপের নকআউটে ইউরোপিয়ানদের কেন ভয় পায় ব্রাজিল?
ব শ বক প র নকআউট – বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব একটি দুর্দান্ত চ্যালেঞ্জ হিসাবে পরিচিত। ব্রাজিলের মানুষের মনে হয় এ পর্বে ইউরোপীয় দলগুলির কাছে আরও ভয় বুদ্ধি হয়েছে। তাদের ইউরোপের বিপক্ষে যে ম্যাচগুলি খেলা হয় সেগুলি একটি সামান্য শক হিসাবে কাজ করে। এখন পর্যন্ত দলটি ইউরোপের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একটি নকআউট ম্যাচে কোনো জয় পেল না।
বিশ্লেষণ এবং কারণগুলি
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে চিন্তা করতে হয়। ইউরোপীয় দলগুলি ব্রাজিলের বিপক্ষে সাধারণত স্বাগত ম্যাচে খেলে তাদের গোলের সংখ্যা কমে। একটি বিশ্লেষণ অনুসারে ব্রাজিল ইউরোপের দলগুলির বিপক্ষে খেলার মধ্যে স্থায়ী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তাদের অভিজ্ঞতা একটি বিশ্লেষণ এবং নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্মানি বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের বিপর্যয় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ইউরোপের দলগুলিকে ভয় করিয়েছিল। তাদের সেই ম্যাচে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে পরাজিত হয়। এরপর ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস বিপক্ষে তাদের বিপক্ষে তিন গোল ব্যবধানে হেরে দলটি আরও আরও আতঙ্কিত হয়েছে।
২০১৪ সালে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আবারও নেদারল্যান্ডসের কাছে ৩-০ গোলে হারে দলটি। সেমিফাইনালে জার্মানি বিপক্ষে হেরে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসাবে প্রতিপক্ষের কাছে জয় পেয়েছিল। কিন্তু সেই বছর তাদের হার যে সামান্য হয়েছিল সেটি আরও চিহ্নিত করে একটি সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
বিশ্বকাপের বিপক্ষে দীর্ঘ চ্যালেঞ্জ
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের আরও বিপক্ষের খেলা হয়েছে। সেই সালে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তাদের ২-১ গোলে হার করে। এখন পর্যন্ত ব্রাজিল ইউরোপের বিপক্ষে মোট সাতটি ম্যাচ খেলেছে। তাদের তিনটি ম্যাচে জয় লাভ করেছে, কিন্তু চারটি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের হার একটি জোরালো চ্যালেঞ্জ হিসাবে বিবেচিত। তাদের ইউরোপের প্রতিপক্ষ অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং দ্বন্দ্বে তাদের ক্ষমতা অনুসারে খুব কম গোল দিয়ে খেলে। তাদের মাঠে ইউরোপীয় দলগুলির বিপক্ষে কখনও কখন এক গোলে হার করে। তাদের স্বাগত ও বিপক্ষে দুই ম্যাচে সামান্য সমস্যা তৈরি করে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তাদের �