হালান্ডের অসাধারণ গোলধারা: একজন ব্যক্তি না মেশিন?
ট ন ১৪ ম য চ ২৭ – বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে অনেকে আরলিং হালান্ডকে রোবট হালান্ড বলে অভিহিত করেন। তাঁর গোল করার দ্রুততা ও নির্ভুলতা দেখে এমন মনে হয় যে তিনি মেশিনের মতো খেলছেন। নরওয়ে দলের ফুটবলারদের প্রতি তাকিয়ে দেখার প্রয়োজন ছাড়া অন্য উপায় নেই এই অত্যাধুনিক গোলের অবিশ্বাস্য পরিমাণে রূপ নেওয়ার পর ব্রাজিল তাঁর বিপক্ষে কীর্তিতে পরাজিত হয়েছে।
বিশ্বকাপের নূতন রেকর্ড
এই মুহূর্তে হালান্ড আরও একটি অসাধারণ কীর্তি গড়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে দুটি গোল করে তিনি নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে আসেন। গোলের পরিমাণ ও কৌশলগুলো দেখে সারা দুনিয়া তাঁর খেলোয়াড়ী দক্ষতা নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।
অনেকে তাকে রোবট হালান্ড বলে অভিহিত করেন।
টানা ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে হালান্ড করেছেন ২৭টি গোল, যা তার শক্তিশালী প্রতিযোগিতামূলক প্রদর্শনের প্রমাণ। গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে একটি গোল দিয়ে, তারপর কাজাখস্তানের বিপক্ষে তিন গোল করেন। মলদোভার বিপক্ষে তিনি দুটি ম্যাচে মোট চারটি গোল করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে তিন গোল করে দলকে বিজয়ে পৌঁছে দেন।
বিশ্বকাপের পর্বে ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে দুটি গোল করে তিনি নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে আসেন। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে একটি গোল দিয়ে সাতটি গোল করেছেন তিনি। মাত্র সাতটি ম্যাচে গোল করতে পারার কারণে তিনি আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
এতে পর্যন্ত তাঁর দুর্দান্ত গোলধারা নরওয়েকে বিশ্বকাপের শিরোপার অন্যতম দাবিদার করে তুলেছে। বর্তমানে তিনি একজন স্ট্রাইকার হিসেবে অসামান্য ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচে সাতটি গোল করার পর এখনও তিনি টানা ১৪টি ম্যাচে দুর্দান্ত প্রদর্শন করেছেন।