মেসিকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিয়ে দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি
একট ক য স ট ট প – ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলার সম্ভাবনা ছিল লিওনেল মেসিকে। তবে এ সময়ে তিনি আর্জেন্টিনার ক্রিকেট কোচ মার্সেলো বিয়েলসার সাবেক খেলোয়াড় ক্লাউদিও ভিভাস দ্বারা জার্সি পরিয়ে দেয়ার জন্য তার চূড়ান্ত করার দরকার হয়েছিল। বিশ্বকাপের আগে সেই সময় আর্জেন্টিনা খেলোয়াড় সম্পর্কে কোনো তথ্য ছিল না।
খুঁজে পাওয়ার প্রক্রিয়া
ভিভাস রোজারিও থেকে উঠে আসা এই তরুণ তারকার প্রতিভা অনুভব করে আটকে রাখার স্বপ্ন দেখছিলেন। সেই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মেসি পরিবারের ফোন নম্বরসহ পাতাটি ছিঁড়ে নিলাম এবং তার বাবাকে ফোন করে আমার পরিচয় দিয়ে তার ছেলের সাথে কাজ করার জন্য আবেদন করলাম। তখন তার সম্পর্কে মাত্র একটি প্রতিভার খবর ছিল আমাদের কাছে।’
আমি সবসময় শুনেছিলাম যে ‘লিও’ হলো তার পারিবারিক নাম বা আসল নাম লিওনার্দো। তার দাদিকে খুঁজে পেলাম এবং তার চাচার সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার কথা শুনলাম। তার বাবার সাথে যোগাযোগ করতে সেখানে ফিরে গেলাম।
সংস্থার সহযোগিতা এবং ক্রিয়াশীলতা
স্পেনের আগ্রহ দেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) তড়িঘড়ি দুটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে। মেসির যাতায়াত ও খরচ সহ দায়িত্ব নেয় সেই সময় এ ক্রিয়া আর্জেন্টিনার জন্য অস্বাভাবিক ছিল।
প্রথম ম্যাচটি ছিল প্যারাগুয়ে বিপক্ষে। ম্যাচ পরিচালনার জন্য রেফারিকে ডাকা হয়েছিল ঠিক আগের দিন। ‘এল গ্রাফিকো’-র কাছে আক্ষেপ করে রেফারি গ্যাব্রিয়েল ব্রাজেনাস বলেন, ‘তারা আমাকে আগের দিন ফোন করেছিল। তারা বুঝিয়ে বলেছিল কেন ম্যাচটি খেলা হবে। ভাগ্যিস আমার কাছে ফিফার সেই বিখ্যাত ম্যাচ রিপোর্টগুলো বাড়িতেই ছিল।’
ম্যাচের জন্য খুঁজে পাওয়ার প্রক্রিয়া
তার আত্মীয়দের মধ্যে সবার আগে দাদি থেকে সংযোগ করলাম। লিওনেলের দাদি তার চাচার সাথে যোগাযোগের তথ্য দিলেন। তার চাচা বাবার সাথে যোগাযোগের তথ্য দিলেন। বাবাকে ফোন করে আমার পরিচয় দিলাম এবং বললাম যে আমরা তার ছেলের সাথে কাজ করতে চাই।
ম্যাচে দর্শকদের উপস্থিতির প্রত্যাশা
প্রথম ম্যাচটি ছিল প্যারাগুয়ে বিপক্ষে। আশা করা হয়েছিল যে ম্যাচে কমপক্ষে ৫০০ দর্শক উপস্থিত হবে। সবার জানা মতে মূল আকর্ষণ ছিল মেসিকে। তবে সেই ম্যাচে তার ক্রিয়াশীলতা তখন খুব কম ছিল।