বিশ্বকাপ ফুটবল / ১২০ মিনিটেও ১-১ সমতা, খেলা গড়াল টাইব্রেকারে
ব শ বক প ফ টবল ১২০ – মিশর ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্পেশিয়াল সময়ে খেলা অতিরিক্ত সময়ে পৌঁছে যায়। কিন্তু এই দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় কোনো দলই স্পষ্ট বিজয় অর্জন করতে পারেনি। ম্যাচের প্রথম অর্ধেকে ইমাম আশুরের গোলে মিশর এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে অস্ট্রেলিয়া সমতা রক্ষা করে।
৯০ মিনিটের খেলা শেষ হওয়ার পর স্কোরলাইন ১-১ রাখায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ে ওঠে। বিশেষ সময়েও কোনো গোল হয় না এবং অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ের কোনো প্রমাণ থাকেনা।
প্রথম অর্ধেকে ইমাম আশুর মিশরের জন্য গোল করেন যেটি ১৩তম মিনিটে হয়। কিন্তু দ্বিতীয় অর্ধেকে ওমর মারমোশের গোল চূর্ণ করে অফসাইড পতাকা ওঠে। পরে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা ভাগ্যের সুযোগে ৫৫তম মিনিটে সমতা ফিরে পায়।
প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় মিশরের কোচ হোসাম হাসান এবং অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ একাধিক খেলোয়াড় বদল করেন। এর মধ্যে মিশরের ডিফেন্ডার করিম হাফেজকে অতিরিক্ত আক্রমণভাগে ত্রেজেগে প্রতিস্থাপন করা হয়।
বিশালদেহী ডিফেন্ডার হ্যারি সাউত্তার কর্নার থেকে বল পৌঁছানোর পর গোলরক্ষক মোস্তফা শুবির দুর্দান্ত প্রতিরোধে মিশরের জয়ের সুযোগ পরাজিত হয়। শেষ মুহূর্তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুই দলের মধ্যে বেশিরভাগ সুযোগ আসে না।
৯০+৪ মিনিটে রামি রাবিয়ার হেড আক্রমণ করার পর প্যাট্রিক বিচ দুর্দান্ত রক্ষায় বল বাঁচান। আর ৯০+৬ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহের পাস থেকে হাইসেম হাসান শট নিয়ে মিশর নিষ্পত্তি পেতে ব্যর্থ হয়।
অস্ট্রেলিয়ার ঘন রক্ষণ বাইরে বলের সুযোগ বাঁচায় মিশরকে। এর পর রেফারি বাজান শেষ বাঁশি। ফলে টাইব্রেকারে ম্যাচ চলতে থাকে।
চলতি বিশ্বকাপে হানির আত্মঘাতী গোল দ্বিতীয় হয়। এটি ২০২৬ বিশ্বকাপে হানির দ্বিতীয় আত্মঘাতী গোল হিসাবে বিবেচিত হয়। এই সুযোগটি আফ্রিকার দলের কোনো উপলব্ধি করতে পারেনি।