১১ দলীয় জোট গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা
গণভ ট র গণর য় ব স – বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন জোরদার হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গণমত অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না বলে জোটের নেতারা দাবি জানান। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সংগঠিত বিভাগীয় সমাবেশে এ ঘোষণা করা হয়।
জোটের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে গণভোটের গণরায় প্রয়োগের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি উঠে আসে। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে সরকার অবশ্যই বিপর্যয়ে পতিত হবে। তিনি বলেন, যে সরকার গণমত মানে না সেটি সত্যিকার জনগণের সরকার হতে পারে না।
“যে সরকার জনগণের রায় মানে না সে সরকার জনগণের সরকার হতে পারে না।” – ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী আমির
জোটের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেন, সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়নি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে মানুষ চরম সুনাম খাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সমাবেশে অপর নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ আরও দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সামাজিক অস্থিরতার কারণে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও করেন আহ্বান, জাতীয় স্বার্থ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
“আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সামাজিক অস্থিরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।” – ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক জানান, জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিশ্রুতির প্রয়োগ করা আবশ্যক। তিনি বলেন, জনমতের বিপরীতে অবস্থান গ্রহণ না করে দাবি মেনে নেওয়াই রাষ্ট্র পরিচালনার সঠিক পথ। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে কোনো আপসের সুযোগ নেই। সীমান্ত হত্যা ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
“জনগণের অধিকার ও জা�