জাতীয় পুনর্জাগরণের প্রধান শক্তি হয়ে উঠতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা
জ ত য প নর জ গরণ – প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে সরকার জুন ৮ তারিখে সচিবালয়ে এক সভায় এগিয়ে গেছে একদম গোড়া থেকে অভিনব কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা খাতকে খোলনলচে পাল্টে দেওয়া হবে এমন স্বপ্ন পূর্ণ করতে। এই দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্বভাবতই স্মার্ট এডুকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিয়েছে ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহার এবং গুণগত শিক্ষার মান বাড়ানোর উপর।
প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বেশ দুর্বল থাকায় এগিয়ে চলছে জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সামগ্রী বিতরণ। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ ও ভাষা শিক্ষা জোরদারে করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সরকার গুরুত্ব দিয়েছে ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রযুক্তি এবং উন্নত সংযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে।
প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য সংকলিত হয়েছে ১৩টি নতুন প্রকল্প। এগুলোর মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ বৃদ্ধির জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা এলএমএস, স্মার্ট মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সমন্বিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষকদের সংকট কারণে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জাতীয় অগ্রগতি ও টেকসই উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে ভেবেছেন।
প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা স্বাভাবিক শিক্ষা ক্রমে বিদ্যালয়গুলোতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। গুণগত শিক্ষার মান বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সংযোগব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে সমন্বিত কাজ চলছে।
খাবার ও ইউনিফর্মের বিনামূল্যে বিতরণ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের আগামী জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ শিক্ষার্থীকে খাবার, ইউনিফর্ম, জুতা, মোজা ও স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন খেলাধুলা ও সংস্কৃতির চর্চার কাজও সুসম্পন্ন হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় প