১৩ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচল স্বাভাবিক
১৩ ঘণ ট পর র জশ হ – ১৩ ঘণ্টা পর রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের দুর্গম আন্দোলন বাস্তবায়িত হয়েছে। গত রোববার (১৭ মে) সকালে শ্রমিকদের বাস বন্ধ করে দেওয়ার পর সারাদেশের যাত্রীদের স্থানান্তরের প্রায় সম্পূর্ণ সেবা বিস্তার পেয়েছে। সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম কমিটি স্থগিত করার ঘোষণা করেন, যে ঘোষণার ফলে সড়ক পরিবহনের ব্যবস্থা আবার স্বাভাবিক হয়েছে। এই পরিবর্তন করা হয়েছে রাজশাহী থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
আন্দোলনের প্রাথমিক কারণ
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণার পর গত রোববার আন্দোলন শুরু হয়। সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলামকে নির্বাচন করে কমিটি দেওয়া হয়, যেটি কিছু শ্রমিকদের বিবাদ তুলে দেয়। এই বিবাদের ফলে সব রুটের বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়, কিছু জায়গায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা দুর্গম আন্দোলনে জড়ানো হয়। তাদের আপোর বিক্রি করার ঘোষণা করা হয়, যেটি বাস্তবায়িত হয়।
রাজশাহী শিরোইল টার্মিনালে সোমবার রাতে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন কমিটি স্থগিত করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে আন্দোলনের কারণ দুর্গম হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ পর্যন্ত কমিটি স্থগিত হয়েছে। এই ঘোষণার ফলে সারাদেশে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে, যাত্রীদের বিপর্যস্ত করা বন্ধ হয়েছে।
প্রাথমিক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
আন্দোলনের কারণে রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচলের ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। কমিটি ঘোষণার পর গত ২৩ এপ্রিলে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ঘটে ছিল তীব্র বিবাদ, যেটি টার্মিনালের পাশে দোকানগুলো ভাঙচুর হওয়া পর্যন্ত পৌঁছেছিল। এই পরিস্থিতিতে কমিটি স্থগিত করা ঘোষণার পর সড়ক পরিবহনের ব্যবস্থা আবার আরও স্বাভাবিক হয়েছে।
রাজশাহী জেলার পরিবহন প্রতিষ্ঠান সেই পরিস্থিতিতে অগ্রগতি ঘটেছে। কিছু সাংবাদিক এবং জনতা ঘটনার তদন্ন করেন। আন্দোলনের মূল কারণ ছিল সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলামের নির্বাচনের বিবাদ। তিনি দুই গ্রুপের মধ্যে চাপ তুলেছিলেন, যেটি কমিটি স্থগিত করে দেওয়ার পর শান্তি ফিরে আসে।