হাতিরঝিলে এখনো যত্রতত্র ময়লা, পড়ে আছে গবাদিপশুর মলমূত্রও
রাজউকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে
হ ত রঝ ল এখন যত রতত – হাতিরঝিলে এখনো যত্রতত্র ময়লা ও আবর্জনা সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে আছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অসন্তোষের ফলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এই সমস্যার সমাধানে নতুন কার্যক্রম শুরু করেছে। শনিবার থেকে পরিষ্কারতা প্রকল্পের প্রথম দিন দেখা গেছে, যার সম্পাদনা রোববার পর্যন্ত অগ্রগতি রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে এই এলাকার অনেক অংশে পরিষ্কার হওয়া সত্ত্বেও আবর্জনা ও ময়লা সরানো হয়নি।
স্থানীয় অবস্থার বর্ণনা
রাজউকের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রস্তুত হওয়ার পর এখন ঝিলের সম্পূর্ণ পরিসর কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে। তবে গবাদিপশুর মলমূত্র ও প্লাস্টিকের বোতল সহ অনেক ধরনের আবর্জনা ঝিলের চারপাশে দেখা যায়। বিশেষ করে ঝিলের মহানগর এলাকায় ফ্লাইওভার দেওয়ালে আবর্জনা সরানোর কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু সাধারণ স্থানে ময়লার অবস্থা এখনো অনুমান করা যায়।
“আমরা আজ ভোর ৬টা থেকে কাজ করছি। গতকালও আমাদের লোকজন এখানে কাজ করে গেছে। সব পরিষ্কার করতে গেলে দুই সপ্তাহ লাগবে।”
কর্মীদের মতামত
রাজউকের কর্মীদের মতে ঝিলের ময়লা ও আবর্জনা সরানোর কাজ বেশ কয়েকদিন চলছে। তারা বলেন, ঝিলের পরিচ্ছন্নতা সুনিশ্চিত করার জন্য এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। গবাদিপশুর মলমূত্র ও কোমল পানীয়ের বোতল বিভিন্ন খালি অংশে পড়ে আছে। কর্মীরা আশা করছেন আগামী কয়েকদিনে ঝিল সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
“আমরা পাঁচজন আগাছা পরিষ্কার করছি। যতটা পারি আজ করবো। আগামীকাল আবার কাজ হবে।”
দর্শনার্থীদের চিন্তা
হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা বিশেষজ্ঞদের মতে এই স্থানে এখনো সম্পূর্ণ পরিষ্কারতা অর্জন করা যায়নি। তাওসিফা বলেন, যেখানে-সেখানে খাবার প্যাকেট ও কোমল পানীয়ের বোতল পড়ে আছে। কিছু জায়গায় গরুর গোবর সম্পর্কে কী অবস্থা রয়েছে তা দেখে মনে হয় যে ঝিলে নির্দিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এখনো অসম্পূর্ণ।
“হাতিরঝিল কেউ দেখভাল করে বলে মনে হচ্ছে না। সঠিকভাবে তদারকি করা হলে কিছুতেই এমন বিনোদন কেন্দ্রের অবস্থা হতো না।”
মাইমুনা বলেন, ঝিলের বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কারতা এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। এতে নৌযানের সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব হয় না। কর্মীদের বলা হয়েছে যাতে তারা অনুসন্ধিৎ করে আবর্জনা ও ময়লা সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলে। তবে এখন পর্যন্ত অনেক স্থানে ঝিলের ময়লা এখনো দেখা যায়।
বিস্তারিত পরিস্থিতি
হাতিরঝিলে পরিষ্কারতা প্রকল্পের আওতায় এখন অনেক স্থানে আবর্জনা সংগ্রহ ও পরিচ্ছন্নতা করা শুরু হয়েছে। তবে প্রতিটি অংশ পরিষ্কার করতে সময় লাগবে। কিছু কর্মীদের মতে ঝিলের ময়লা ও আবর্জনা সমস্যা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ক্রমাগত চাপা দেয়া হবে।
যাতে ঝিল সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে সাধারণ মানুষের আগমনে কোনো সমস্যা হয় না। আরও কি�