হঠাৎ করেই ‘ইস্তাম্বুল বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়’ বন্ধ করে দিলেন এরদোয়ান
হঠ ৎ কর ই ইস ত ম – তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীন ও উদারপন্থি শিক্ষার সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। শিক্ষাবর্ষ চলাকালেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে সরকারি আদেশ দ্বারা শুক্রবার (২২ মে) এ।
বিশ্ববিদ্যালয়টি তুরস্ক ও বিদেশের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য পরিচালিত ছিল। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীন গবেষণার সুযোগ পেত। সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ডিক্রিতে বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। কারণ সেখানে প্রত্যাশিত মানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ না থাকলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সুযোগ রয়েছে এমন একটি আইনের ভিত্তিতে নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
পরিচালনার বাতিল ঘটনার পর আগামী জুনে বর্ষশেষ পরীক্ষা দেওয়া হতে চলছিল। কিন্তু এ সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তুরস্কের উচ্চশিক্ষা কাউন্সিল (ইওকে) উল্লেখ করেছে, যাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেজন্য ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
‘রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হলো’ বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ইয়ামান আকদেনিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ৩০ বছরের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠান রাতারাতি কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হলো। তিনি আরও বলেন, সংবিধান খুব স্পষ্ট—বিশ্ববিদ্যালয় আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আইন দিয়েই কেবল তা বন্ধ করা যায়। কিন্তু কে তা নিয়ে মাথা ঘামায়? আকদেনিজের ভাষায়, যে সময়ে ন্যায়বিচার ও সুষ্ঠু বিচার নেই, সে সময়ে পুরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া যেন পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল। আমরা এই বেআইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কখনোই নীরব থাকব না।
গত বছর থেকে আদালত-নিযুক্ত প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়। তুর্কি মূল কোম্পানি অর্থপাচার ও কর জালিয়াতি তদন্তে জড়িয়ে পড়ার পর আদালত প্রশাসক নিয়োগ দেয়। উদারপন্থি পরিচয়ের জন্য পরি�