সিজার ছাড়া চিকিৎসাসেবা নেই মৌলভীবাজারে
স জ র ছ ড় চ ক – যদিও স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরোয়া হয়েছে, মৌলভীবাজার জেলায় ২২ লাখ মানুষের জন্য সংগঠিত হয়নি মানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা। সদর হাসপাতাল থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত সীমাবদ্ধ প্রাথমিক সেবা বাইরে মিলছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। সাধারণ রোগের জন্যও রোগীদের সিলেট শহরে যেতে হয়।
বাণিজ্যিক হাসপাতালে সিজার করার প্যাকেজ প্রধান
সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সংকট দূরে সরে যাওয়ার পরও জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক বাণিজ্যিক হাসপাতাল গড়ে ওঠে। এসব হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সিজারিয়ান অপারেশন করার জন্য সিজারের প্যাকেজ সেবা প্রদান করা হয়। যেখানে প্রসূতিকে সিজার করানোর জন্য ১৭-১৮ হাজার টাকা থেকে ৩৫-৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে সেবা পাওয়া যায়। হাসপাতালগুলো পরিচালনা হয় চিকিৎসক সংযুক্তির মাধ্যমে।
“আমাদের জেলায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। জেলায় অন্য সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও চিকিৎসার জন্য মানুষের বড় কষ্ট হচ্ছে। কয়েকজন চিকিৎসক ছাড়া আর কোনো চিকিৎসকই নেই। সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালে সেবা নেই।”
মৌলভীবাজারের সদর হাসপাতাল একমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসার ভরসাস্থল। এখানে আইসিইউ, সিসিইউ, সিটি স্ক্যান, ইকো, হৃদরোগ চিকিৎসা ব্যবস্থা কোথাও নেই। কোনো হাসপাতালে মেশিন থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে সেগুলো বন্ধ রয়েছে। এ কারণে প্রাথমিক সেবা দিলেও মামুন জটিল কিছু হলে সিলেটে পাঠানো হয়।
“প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে শুধুমাত্র অন্তঃসত্ত্বা নারীর অস্ত্রোপচার করা হয় টাকার জন্য। এটাকে আর চিকিৎসা বলে না। এসব হাসপাতাল বাণিজ্যিকভাবে চিন্তা করেই বানানো হয়েছে। অন্য কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। যার মন চায় একটি বাসার মধ্যে হাসপাতাল খুলে বসে। সাধারণ চিকিৎসার অভাবে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে।”
জেলায় প্রায় ৫০ বেসরকারি হাসপাতাল চালু রয়েছে। এসবের মধ্যে মাত্র তিনটি হাসপাতালে ২ বেডের আইসিইউ চালু রয়েছে। বাকিগুলোতে কোনো বিশেষায়িত সেবা নেই। সামান্য জটিলতা হলে সিলেটে রেফার করা হয়।
“গত ১৪ মে মায়ের জ্বর থাকায় মৌলভীবাজার হাসপাতালে ভর্তি করাই। জ্বরের কারণ কী, কেনো নামছে না জ্বর এ বিষয় কোনো চিকিৎসা দিতে পারেনি। দুই দিন হাসপাতালে থাকার পর চিকিৎসা না পেয়ে সিলেটে এনেছি। সামান্য অক্সিজ