সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির চাবিকাঠি
স শ রয় স ম র টফ – স শ রয় স ম র টফ এখন দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টের সংখ্যা প্রায় ২৪.৫ কোটি পৌঁছেছে, যেখানে বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি সীমাবদ্ধতা এখনো একটি স্থায়ী সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে, যা ডিভাইসের উচ্চ মূল্য, প্রযুক্তি দক্ষতার অভাব এবং স্থানীয় কনটেন্টের প্রাসঙ্গিকতা দ্বারা প্রভাবিত। প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষার খাত সুনিশ্চিত করতে এই সমস্যা সমাধানে স শ রয় স ম র টফ অপরিহার্য।
বাংলাদেশের ডিজিটাল বৈষম্য কারণগুলি
বর্তমানে দেশে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও সহজ ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা ক্রমশ উন্নয়নের মধ্যে অগ্রসর হচ্ছে। তবে প্রতিটি জনগণের অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে কথা বলতে গেলে ডিভাইসের মূল্য স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে একটি বড় অনুপাত হিসেবে দেখা দিয়েছে। একই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারে অসমান অবস্থা ক্রমে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা প্রায় স শ রয় স ম র টফ কর্তৃক সমাধানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এখন শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পৃক্ততা নির্ভর করে এবং সাশ্রয়ী স্মার্টফোন দিয়ে কোন অতিরিক্ত বৈষম্য না হওয়া সম্ভব।
বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০২৬ সেমিনারের আলোচনা
১৭ মে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২৬ এর সেমিনারে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাপরিচালক মো. আমিনুল হক বলেন যে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন এবং সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনীতি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা সহ সমস্ত খাতে সমন্বয় ঘটতে পারে। স শ রয় স ম র টফ সার্থক করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেনের সঞ্চালনায় সমাপনী বক্তব্যে মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, টেলিকম রেগুলেটর সব পক্ষের অবস্থান এবং বাস্তবতা বিবেচনার মাধ্যমে কাজ করতে হবে। সাশ্রয়ী স্মার্টফোন এবং সামাজিক ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে সমন্বয় গড়ে তোলার কাজ বিটিআরসি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে।
সেমিনারে ডেপুটি চিফ টেকনিক্যাল অফিসার সৈয়দ মো. সামশুর রহমান ও বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার শেখ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন যে বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি খাত ডিজিটাল সংযোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করছে। তাই সাশ্রয়ী স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করতে সরকার, শিল্পখাত এবং জনগণের মধ্যে সহযোগিতা অপরিহার্য। তবে সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি