News

সাবেক এমপি তুহিনকে ফের গ্রেফতার দেখাতে আবেদন পুলিশের

পুলিশ সাবেক এমপিকে আবারও গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে মিরপুর মডেল থানার মামলায় সাবিনা আক্তার তুহিনের পুনর্গ্রেফতার আবেদনে শুনানি হবে স ব ক এমপ ত হ নক - ঢাকার

Desk News
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পুলিশ সাবেক এমপিকে আবারও গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছে

মিরপুর মডেল থানার মামলায় সাবিনা আক্তার তুহিনের পুনর্গ্রেফতার আবেদনে শুনানি হবে

স ব ক এমপ ত হ নক – ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সেই আদালতে বিচারক আরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে আবেদন গ্রহণ করবেন। আদালতের তদন্ত কর্মকর্তার মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন যে, মিরপুর মডেল থানার একটি মামলায় সাবিনা আক্তার তুহিনকে আবারও গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

মামলাটি দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা হয়েছে—৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ১৪৯, ১২০বি, ১০৯ ও ৩৪ ধারা। সাবিনা আক্তার তুহিন সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩৫ এর পূর্ববর্তী সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে মিরপুর মডেল থানার আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার অবস্থায় আছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে সাবিনা আক্তার তুহিনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে। এজন্য মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে আবারও গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। পরবর্তীতে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হতে পারে।

মিরপুর-১০ এলাকায় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনা ঘটেছিল। বাদী ও তার শ্যালক মো. সিরাজ ফায়ার সার্ভিসের সামনে কাপড় বিক্রি করছিলেন। সেই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলছিল। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তারা রাইফেল, বন্দুক ও পিস্তল নিয়ে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনায় রাবার বুলেট বাদীর শরীরে লাগে। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। তাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করা হয়।

পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিনদের তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরবর্তীতে তাকে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করেন। একই দিন দুপুর ২টার দিকে তার শ্যালক মো. সিরাজের টিয়ারশেলের আঘাতে দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুলির ফলে তার বাম পা গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়। এতে তার স্থিতি নিশ্চিত করতে তিনি জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে প্রবেশ করেন।

মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল গত বছরের ২২ এপ্রিল। এতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯,

Leave a Comment