পাসপোর্ট করতে দালাল হোক না কেন আটক থাকে
স ক ত ক চ হ ন – যদিও কাগজপত্রগুলো সঠিক থাকে, বিভিন্ন কারণে কাজের প্রক্রিয়ায় অসুবিধা হয়ে থাকে। কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। তারা বলছেন, দ্রুততম পাসপোর্ট পেতে দালালদের ধরনা দিতে হয়। এজন্য গুনতে হয় বাড়তি টাকা।
মাদারীপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি স্থাপন হয়েছে মাদারীপুর পৌরসভার ১২৩ নম্বর কুকরাইল মৌজায়। ২০২০ সালে সেবা প্রদান শুরু করে এই কার্যালয়টি। এই অফিসের গুরুত্ব বেশি হয়েছে কারণ মাদারীপুর জেলার মানুষ অনেকে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাসপোর্ট অফিসে নিয়মিত ভিড় রয়েছে সারাবছর।
অফিসের সীমানা দেওয়ালের পাশে সারিবদ্ধ টিনশেডে একাধিক দোকান রয়েছে। তার পাশে দক্ষিণে এগিয়ে যাওয়া স্থানে ছোট ছোট দোকানগুলোও দেখা যায়। এসব দোকানগুলোতে কম্পিউটার, প্রিন্টার এবং ফটোকপি মেশিন আছে। দালালদের আনাগোনা বেশি রয়েছে এই দোকানগুলোতে।
গ্রাহকদের কথায় পাসপোর্ট অফিসে ঢুকতেই দালালরা অপেক্ষা করে। তারা কারো কারো আগে যেতে পারে। কাগজপত্র যদি সম্পূর্ণ না হয় বলে দেখানো হয়। তবে বাড়তি টাকা দিলে কাজটি সম্পন্ন হয়। আবেদনকারী যারা প্রথমবার আসে বা এ বিষয়ে কম জ্ঞান আছে, তারাই মূলত দালালদের ফাঁদে পড়ে।
আমি এক দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে দিয়েছি। আমার ফরমে ‘সাংকেতিক চিহ্ন’ দেওয়া হয়েছে, যাতে করে কাজ দ্রুত হয়ে যায়। ফরম জমা দেওয়ার সময় শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েছিলাম। আর কোনো কাগজ লাগেনি।
মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নিজেই আবেদন জমা দিয়েছেন একজন মহিলা। তিনি বলেন, “গত ২৭ এপ্রিল প্রথমবারের মতো নিজেই পাসপোর্টের আবেদন করতে কাউন্টারে গেলাম। আমি আবেদনে ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ উল্লেখ করায় জমাদানকারী কর্মকর্তা দেখায় পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি বেশি রয়েছে।
অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল পাসপোর্ট অফিসের সামনে ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। যদিও বহুবার প্রতিবাদ করা হয়েছে, পাসপোর্ট অফিসের চিত্র একই রয়েছে। কর্মকর্তারা বাড়তি টাকা আদায় করে গ্রাহকদের কাছ থেকে। এই টাকা কার্যালয়ের কিছু কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টিত হয়ে থাকে।
অফিসের সংলগ্ন দোকানগুলোতে আনুষঙ্গিক মেশিনপত্র রয়েছে। তার মাধ্যমে দালালরা কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করে। যারা পাসপোর্ট অফিস থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, তারা বল