লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু, ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন ছেলে
ল ঠ প ট য় ব ব – লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটেছে যখন তার ছেলে তার জমি বিক্রির টাকার অংশ না দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল। ঘটনাটি শনিবার (১৬ মে) বড় আলমপুর গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত ছেলে সন্ধ্যায় নিজে থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন। এ ঘটনায় লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে গুরুতর অসন্তোষ ছড়িয়েছে।
পিতা আকমত আলী এবং তার সন্তানের সম্পর্ক
নিহত আব্দুল আলিম ছেনু মিয়া (৬০) আলমপুর গ্রামের মৃত আকমত আলীর ছেলে। তিনি চারটি সন্তানের বাবা ছিলেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা কর্মী হিসেবে গ্রামের নিরাপত্তা প্রহরী ছিলেন। তার বড় ছেলে নাজমুল হাসান রাসেল (৩৫) বর্তমানে লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটানোর পর আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সম্পর্কে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে রাসেল কিছুদিন আগে বাবার কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। তবে টাকা শেষ হওয়ার পর তিনি আবার বাবার ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন।
লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু নিয়ে গুরুতর আলোচনা শুরু হয়েছে। তার পুত্র পরিবারের অর্থ প্রয়োগ করতে নিয়োগ করা হয়েছিল কিন্তু রাসেল সেটি গ্রহণ করেননি। ফলে তিনি বাবার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটে যখন সংঘর্ষ তীব্রতর হয়েছিল। অভিযুক্ত রাসেল বিষয়টি পরে স্বীকার করেছেন যে তিনি বাবার প্রতি ভাবনা বিপর্যস্ত করেছিলেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটানোর পর রাসেল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তিনি বাবাকে নিয়মিত ঝগড়া করতেন। সেই সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন। তার পরিবার সম্পর্কে লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটানো পর একটি গুরুতর পরিবার বিচ্ছেদ হয়েছে। তার ছোট ছেলেরা তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না।
এ ঘটনার পর তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। রাসেল নিজে থেকে পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন এবং বাবার মৃত্যু ঘটানোর প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে তার বাবার বেশিরভাগ টাকা তিনি নিজে ব্যয় করেছিলেন। এ সম্পর্কে স্থানীয় সূত্রে আরও বলা হয়েছে যে রাসেল কিছুদিন আগে একটি জমি বিক্রি করেছিলেন যার জন্য বাবা তার কাছে প্রায় ২ লাখ টাকা প্রদান করেছিলেন।
লাঠিপেটায় বাবার মৃত্যু ঘটেছে একটি আঘাতে যখন তিনি নিজের বাবার বিরুদ্ধে কুপ্রবৃত্তি প্রদর্শন করেছিলেন। ঘটনার সময় রাসেল তার ছোট ছেলেদের প্রতি সামান্য �