রাশিয়ায় আটকা ৩০ বাংলাদেশির পরিবারের মানববন্ধন, ২ এজেন্সির সার্ভার লক
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ এবং এজেন্সি লাইসেন্স লক করা
র শ য় য় আটক ৩০ ব – প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রতারণার অভিযোগে দুই এজেন্সির লাইসেন্স লক করেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের এনফোর্সমেন্ট ও মনিটরিং অনুবিভাগের প্রধান এ জেড এম নুরুল হক। মন্ত্রণালয় কর্মী প্রেরণের সংস্থাগুলো হলো আরএস ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১৪২৮) ও টিএস ওভারসিজ (আরএল-১৭৫৫)। এগুলো রাশিয়ায় কর্মী প্রেরণের জন্য অনুমোদিত ছিল। তবে আরেক অভিযুক্ত এজেন্সি জাবালে নূর ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-২৫০৫) এর লাইসেন্স আগে থেকেই বাতিল করা হয়েছিল।
মানববন্ধনের প্রতিবাদ এবং বিষয়টি বিশ্লেষণ
রোববার (২৪ মে) সকালে মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন দেয়া হয় প্রতারণার শিকার ৩০ জন বাংলাদেশির পরিবার। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ৭ মে রাশিয়ায় নির্মাণ ও ফ্যাক্টরি কর্মীর ভিসার মাধ্যমে এ বাংলাদেশি প্রেরণ করা হয়। তারা রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর যুদ্ধের প্রশিক্ষণে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবারের একজন সদস্য রিপন হোসেনের মা রিনা বেগম বলেন, আমার ছেলে ও তার বন্ধু জাবালে নুর এজেন্সিতে যায়। পরে নির্মাণ ভিসা পেয়ে গত ৭ তারিখ রাশিয়ার দিকে রওনা হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর ওদের কাজের কথা বলে যুদ্ধের প্রশিক্ষণে নিয়ে গেছে। উদ্ধার করতে হলে তাদের প্রশিক্ষণের মাঝে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আরেক ভুক্তভোগীর ভাই রায়হান কবির বলেন, এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়াতে যাওয়া বাংলাদেশিরা সরকারি নিয়ম মেনে পাঠানো হয়েছে। তবে রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তাদের কোনো কোম্পানির অস্তিত্ব রাশিয়াতে নেই। আজ আমাদের দাবি হলো, তাদেরকে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য রাশিয়ার দূতাবাস, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে।
চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা কামাল হোসেনের শ্বশুর জলিল খান বলেন, আত্মীয়ের মাধ্যমে এজেন্সির খোঁজ পেয়েছিলেন। মালিক বলেছিলেন, আ