রাজস্ব তহবিল থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ
র জস ব তহব ল থ ক – কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া দাবি করেছেন যে আসিফ মাহমুদ এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সরাসরি রাজস্ব তহবিল থেকে মোট ২৫ কোটি টাকা গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে লাইভ প্রতিবেদন দেন যে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা দেন। তিনি এ বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষেত্রে এক লাখ তিন হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে।
বাজেট বরাদ্দের স্বরূপ ও খরচের প্রক্রিয়া
আসিফ মাহমুদ একটি আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ বরাদ্দ ও সাধারণ বরাদ্দের পার্থক্য ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান যে গত অর্থবছরে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাজেট ছিল প্রায় চার হাজার কোটি টাকার মতো। তার মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ অনুপাত অনুযায়ী কমিটি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
তিনি বলেন, ‘এই বরাদ্দ প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ কোটি টাকার মতো হয়। মন্ত্রী বা উপদেষ্টার এখতিয়ারে দেওয়া হয়। আমি দায়িত্বে ছিলাম সারাদেশে এই বরাদ্দ দিয়েছি সাধারণত অনুরোধের ভিত্তিতে। যেমন- আমাদের গ্রামের রাস্তার জন্য অনেকে আবেদন করেন। এগুলো মন্ত্রণালয়ে আসে এবং উপদেষ্টা সিদ্ধান্ত নেন বরাদ্দ দেওয়ার সময়।’
তিনি যুক্তি দেন যে রাজস্ব খাত থেকে অনুপাত অনুযায়ী খরচ করা হয়। যেমন- কুমিল্লা জেলায় উপজেলার পরিমাণ ফেনী থেকে বেশি হওয়ায় তার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে অনুপাত অনুযায়ী বরাদ্দ করা হয়। তিনি এছাড়া বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন যে এটি চার কিস্তিতে অবমুক্ত হয়। সিটি করপোরেশনের মসজিদের জন্য বরাদ্দও সেই কমিটিতে নির্ধারিত হয়।
আসিফ মাহমুদ উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সালের সভায় এই বিশেষ বরাদ্দের টাকা কোথায় খরচ হবে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে নিয়েছেন। সোলার লাইট স্থাপনের জন্য ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, কর্মহীন অসহায় ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৬২ লাখ টাকা এবং ১০৪টি বিদ্যালয় ও ১৪টি কলেজের আসবাবপত্রের জন্য ২৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি দাবি করেন যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া ও সেটা নিয়ে যাওয়া দুটি আলাদা কাজ। বিএনপির প্রশাসক কিছু প্রক্রিয়া বুঝতে পারেন না। তিনি যোগ করেন, ‘এসএসসি পাস ক