রপ্তানি বাড়াতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে কাজ করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
রপ ত ন ব ড় ত প – বাংলাদেশের সরকার রপ্তানি বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ আকর্ষণ সহ ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নীতিগত সংস্কার ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং নন-ট্যারিফ বাধা কমানোর জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে আলোচনা করেন। এতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং বর্তমান নন-ট্যারিফ বাধা অপসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই বাণিজ্য পরিবেশকে আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং ব্যবসাবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করেছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। এই সম্পর্কটি আরও বৃদ্ধি করার জন্য সরকার প্রস্তুত।
প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন ও নীতিগত সংস্কারে কাজ করছে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করতে। বিশেষ করে নন-ট্যারিফ বাধা কমানো, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য সরকার আন্তরিক।
এই বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকার ব্যবসায়ীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতি দেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বর্তমান সমস্যাগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।
রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর বাণিজ্য সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন এবং বর্তমান বাধা দূরীকরণে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
তবে কিছু জটিল বিষয় সমাধানে সময় লাগলেও সেগুলোর টেকসই সমাধান নিয়ে গভীরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অভিজ্ঞতা ও মতামত দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।