বিএনপির মিছিলে গুলি, ছাত্রদল কর্মীকে আসামি করা নিয়ে তোলপাড়
ব এনপ র ম ছ ল গ – কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিএনপির একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলি চালানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। বিএনপির সক্রিয় যোদ্ধা ও ছাত্রদল কর্মী শামীম আহম্মেদ তার বিরুদ্ধে মামলা করে বিএনপি পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জল। আদালত মামলাটি পাকুন্দিয়া থানাকে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। মামলায় পাকুন্দিয়া থানার ওসি সারোয়ার জাহান, পরিদর্শক নাহিদ হাসান সুমনসহ ১৪ জন পুলিশ সদস্য ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৮ জন নেতা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতপরিচয় আসামী হিসেবে ৭০-৮০ জনকে নাম দেয়া হয়।
মামলার নথিতে শামীম আহম্মেদের বয়স তার সত্য বয়সের তুলনায় অসম্পূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী তার জন্ম ২০০৮ সালের ১০ অক্টোবর। তিনি ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য সদ্য পড়াশুনার পর স্থানে উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মতে তাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামি করা হয়েছে। তারা মামলার প্রতিবাদে শামীমের নাম মুছে ফেলার দাবি জানিয়েছে।
“শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ২০২২ সালে তার পা ভাঙা ছিল এবং কর্মসূচিতে সে আমার সঙ্গে রয়েছিল,” বলেন শামীমের বন্ধু সৌমিক আহামেদ।
২০২২ সালের ঘটনার সময় রাকিবুল ইসলাম দাবি করেন যে পুলিশ তার মোবাইল ফোন থেকে ভিডিওগুলো মুছে দেয়। আর শামীম আহম্মেদ জানান যে তিনি আন্দোলনে আহত হয়েছিলেন কিন্তু মামলায় অন্যায়ভাবে আসামি করা হয়েছে। তিনি বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন এবং তার কাছে এসবের ভিডিও ও ছবি রয়েছে।
মামলার ৮ নম্বর সাক্ষী উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ জানান যে শামীম তার অনেক জুনিয়র ছিলেন। তিনি মামলার আসামি হিসেবে সে কেন অসম্পূর্ণ হিসেবে আসামি করা হয়েছে জানেন না।
এ বিষয়ে কথা বলতে মামলার বাদী মাজহারুল হক উজ্জলের মোবাইলে কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি। ছাত্রদল কর্মী ও আসামি শামীম আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, “আমি বিএনপি নেতার সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে।”